শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

>>

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত জনপদ

আব্দুল আজিজ, কুড়িগ্রাম    |   শনিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৫   |   প্রিন্ট

কুড়িগ্রাম-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় মুখরিত জনপদ

কুড়িগ্রাম-৪ আসনটি চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। ত্রয়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীসহ জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছেন। জামায়াতের প্রার্থী অনেক আগেই নির্ধারিত হলেও বিএনপি’র প্রার্থী নির্ধারিত না হওয়ায় চার জন প্রার্থী গণসংযোগ করছেন। এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টি, খেলাফত মজলিস ও গণঅধিকার পরিষদের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি এখন পর্যন্ত। ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন একটি উপজেলা চিলমারী নদের পশ্চিম তীরে অপর দুইটি উপজেলা রৌমারী ও রাজিবপুর পূর্ব দিকে অবস্থিত। প্রার্থীরা এলাকায় নিজেদের প্রার্থীতার কথা জানান দিতে গণসংযোগ, সভা ও সমাবেশ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আওয়ামী লীগের কর্মকান্ড নিষিদ্ধ হওয়ায় তাদের নেই কোন নির্বাচনী তৎপরতা। এ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা হলো তিন লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার। চিলমারী উপজেলায় ০১ লক্ষ, রৌমারী উপজেলায় ০১ লক্ষ ৬৭ হাজার আর রাজিবপুর উপজেলায় ৬৫ হাজার ভোটার রয়েছে।

এই আসনটিতে ১৯৯১ সালে জাতীয় পার্টি থেকে মোঃ গোলাম হোসেন (এরশাদ), ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে মোঃ গোলাম হোসেন (এরশাদ), ২০০১ সালে জাতীয় পার্টি থেকে গোলাম হাবিব দুলাল (এরশাদ), ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মোঃ জাকির হোসেন, ২০১৪ সালে জেপি থেকে রুহুল আমিন (আনোয়ার হোসেন মঞ্জু), ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মোঃ জাকির হোসেন (সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী), ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ থেকে মোঃ বিপ্লব হাসান পলাশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ছাত্র জনতার গণঅভ্যূত্থানে গত ০৫ আগস্ট, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগের পতন হয়। জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী আগেই ঘোষণা করায় প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন বেশ সরবে। বর্তমানে মাঠে বিএনপি’র চারজন প্রার্থী পাড়া মহল্লায় সম্ভাব্য প্রার্থি হিসেবে নির্বাচনী জনসংযোগ ও বিএনপি’র রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লিফলেট বিতরণ করছেন। কেউ কেউ আবার উঠান বৈঠক ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আগাম ভোট প্রার্থনা করছেন। রৌমারী উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাককে আগাম জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষনা করেছে। বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন, চিলমারী উপজেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল বারী সরকার, রৌমারী উপজেলার বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আজিজুর রহমান, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রিয় কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও রৌমারী উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মোছাঃ মমতাজ হোসেন লিপি এবং রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান এই চারজন প্রার্থীসহ সম্প্রতি কিছু নতুন মুখ এলাকায় মিটিং মিছিলসহ নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। চিলমারী উপজেলায় ইউনিয়ন সংখ্যা ৬টি, কিন্তু ভৌগোলিক ভাবে ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিভক্ত হওয়ার কারণে তিনটি ইউনিয়নে অফিসিয়াল ওয়ার্ক ব্যাতীত ব্যবসায়ীক ও চিকিৎসা সহ কেনাকাটার লেনদেন রৌমারী উপজেলার সাথে হওয়ায় তাদের অবস্থান রৌমারীর সাথে। অন্যদিকে রাজিবপুর উপজেলায় ইউনিয়ন সংখ্যা ৩টি। কিন্তু রৌমারীর সাথে অনওয়ে স্থল যোগাযোগের কারণে লেনদেন কেনাকাটা এবং জেলা সদরে যাতায়াতের মাধ্যম রৌমারী। আবার রৌমারী উপজেলায়ও ইউনিয়ন সংখ্যা ৬টি। কিন্তু ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধের মুক্তাঞ্চল হওয়ায় এবং এখানে একটি স্থলবন্দর থাকায় কুড়িগ্রাম ৪ আসনে রৌমারীর গুরুত্ব সর্বাধিক। আবার ভোটার সংখ্যার দিক থেকে চিলমারী উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নের ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার প্রায় এবং রাজিবপুর উপজেলায় ৩টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ৬৭ হাজার প্রায় কিন্তু রৌমারী উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন হওয়া সত্বেও ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৭ হাজার প্রায়। একটি সুত্র জানায়, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যাপনা পেশা থেকে ননক্যাডার প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হিসেবে পিআরএল শেষ করে অবসরে গেছেন গত ২৮/০২/২০২৫ ইং তারিখে।

সেমতে নির্বাচন কমিশনের আরপিও অনুযায়ী তিনি পরবর্তী তিন বছর কোনোরূপ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য। বিএনপির অপর মনোনয়ন প্রত্যাশি চিলমারী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল বারী সরকার। তার বয়স ৮০ বছরের উর্দ্ধে এবং তার উপজেলায় দলীয় কোন্দল চরম অবস্থায় বিদ্যমান। সেখানকার মুল বিএনপি এবং সকল অঙ্গ দলের নেতাকর্মীদেরকে একত্রিত করা তার পক্ষে অসম্ভব। কারণ তিনি আহবায়ক হওয়ার পরে তার দীর্ঘদিনের সহযোগী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকসহ যুগ্মআহবায়ক ও কয়েকজন সদস্যদেরকে শারীরিকভাবে আহত করা হয়েছে । বিএনপির অনেককে দল থেকে বহিষ্কার করাসহ ১৮জনকে আসামি করে মামলা দেয়া হয়েছে, যারা নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন। এ কারনে চিলমারীতে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করা খুবই কঠিন হবে। কুড়িগ্রাম- ৪ আসনে বিএনপির আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সদস্য আজিজুর রহমান। তিনি ২০১৮ সালের ভোটের দিন দুপুরে নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে ঘরে উঠে ছিলেন, দীর্ঘ ছ’বছর এক দিনের জন্যেও দলীয় কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন নাই। রৌমারী উপজেলা ব্যতীত অন্য কোনো উপজেলার দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে আজিজুর রহমানের তেমন কোন যোগাযোগ নাই। রাজনৈতিক মাঠে তার নিষ্কৃয় অবস্থান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদে আপদে খোঁজখবর ও সহযোগিতা না করার কারনে তিনি বিএনপিতেই গ্রহনযোগ্যতা হারিয়েছেন। উপরন্তু তার সরহদ ভাই কুড়িগ্রাম ৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্ধারিত প্রার্থী হওয়ায় এলাকায় বিএনপির ভোটের উপর মারাত্মকভাবে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতেছে বলে বিএনপির নেতাকর্মীর দাবী। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মমতাজ হোসেন লিপি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স শেষ করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করেছেন। বর্তমানে মমতাজ হোসেন লিপি জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক এবং রংপুর বিভাগ সাংগঠনিক টিমের অন্যতম সদস্য। তিনি সুদুর প্রসারি পরিকল্পনা নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে রাজনৈতিক মাঠে সবথেকে বেশি দলীয় ও নির্দলীয় কর্মসূচী নিয়ে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে গণসংযোগ করে আসছেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের যেসমস্ত নেতা কর্মী ভোট করেছেন, তাদের পক্ষে সার্বক্ষনিক মাঠে থেকে তিনি প্রচার প্রচারণা থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক সহায়তাও করেছেন। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে বিএনপির যেসমস্ত নেতাকর্মী হামলা মামলার শিকার হয়েছিল তিনি তাদের চিকিৎসা ও জামিনের ব্যবস্থা করেছেন এবং কোর্ট কাচারীতে সবরকমের সহযোগিতা করেছেন।

এলাকায় নারী ভোটারের সাথে তার নিয়মিত যোগাযাগ এবং রাজিবপুর উপজেলায় মমতাজ হোসেন লিপির নানার বাড়ি রয়েছে। তার এলাকা নানা সেখানে দুইবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন যেকারনে তাদের নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে। অপর দিকে মমতাজ হোসেন লিপির পিতা রৌমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার চাচাও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং সংসদ সদস্য ছিলেন সেহেতু রৌমারীতে দলীয় ভোটের বাইরেও নির্দলীয় ভোটারদের মাঝে মমতাজ হোসেন লিপির গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক। বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ আজিজুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, কিন্তু তখন কারচুপির মাধ্যমে আমার বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তারপরও আমি ৫৬ হাজার ভোট পাই। দল এবারও মনোনয়ন দিবে বলে মনে করেন তিনি। বিএনপি নেতা মোঃ মোখলেছুর রহমান বলেন, ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক, ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং বর্তমানে চর রাজিবপুর উপজেলার আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক হওয়ার পর থেকে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় আছি ও বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেছি। আগামী নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পাবার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন মমতাজ হোসেন লিপি বলেন- আমার বাবা গোলাম হোসেন যিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপির রৌমারী উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন এবং তিনি ২বার কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ১৯৭৯ সালে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে মাত্র ৪০ ভোটের ব্যবধানে তিনি পরাজিত হন। আমি এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে গণসংযোগ, সভা ও সমাবেশসহ উঠান বৈঠক যথারীতি করছি, এতে জনগনের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি, আসা করি দল আমাকে মনোনয়ন দিলে আমি জয়লাভ করবো এবং জয়লাভ করলে চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুরকে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করব।

সাবেক চিলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল বারী সরকার বলেন, তিনি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষার মান উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করবেন। জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হওয়ায় বর্তমানে এলাকায় প্রচারনা চালাচ্ছেন মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক । ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার হবে। রৌমারী, চিলমারী ও রাজিবপুর উপজেলায় সমহারে উন্নয়ন হবে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থির মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভবনা রয়েছে। তবে এ আসনে ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদের নির্বাচনী কোন তৎপরতা দেখা যায়নি। অপরদিকে একটি সুত্র জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা থাকলে কুড়িগ্রাম-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন রৌমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী এবং তার নির্বাচনে অংশগ্রহণের মধ্যদিয়ে দৃশ্যপট পাল্টে যেতে পারে। এব্যাপারে মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী জানায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরিবেশ সুন্দর হলে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো।

Facebook Comments Box

Posted ৪:২৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৫

dainikbanglarnabokantha.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

সম্পাদক

রুমাজ্জল হোসেন রুবেল

বাণিজ্যিক কার্যালয় :

১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।

ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮

ই-মেইল: [email protected]

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

design and development by : webnewsdesign.com

nilüfer escort coin master free spins