শরীফ আহমেদ প্রতিবেদনঃ
বুধবার, ২৪ মে ২০২৩ প্রিন্ট
রাজধানীর যাএাবাড়ী থানার অন্তর্ভুক্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ৬৫ নং ওয়ার্ডের মাতুয়াইল কেরানীপাড়ার মরহুম জুলহাস মিয়া মেম্বারের জ্যেষ্ঠ পুত্র খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী মিলে ছোট বোন মোসলেমাকে রাস্তায় অতর্কিত হামলা চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করে, মোসলেমা আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী দৌড়ে পালিয়ে যায়, পরে স্থানীয় জনগণ মোসলেমাকে উদ্ধার করে কোনাপাড়ার মেডিহোপ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোসলেমাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করে।
গত ২১ মে রবিবার এ ঘটনা ঘটে।এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
সরেজমিন অনুসন্ধান করে জানা যায়,মাতুয়াইল কেরানীপাড়া নিবাসী মরহুম জুলহাস মিয়া মেম্বার ও তার স্ত্রী মৃত শামসুন্নাহার সংসারের ৩(তিন) ছেলে ৭(সাত) মেয়ে রেখে তারা পরলোক গমন করেন, বাবা মা মারা যাওয়ার পর থেকেই বড় ছেলে খোরশেদ আলম সম্পত্তির লোভে সব ভাই-বোনদের উপর মানসিকভাবে নির্যাতন করতে থাকে, এমনকি মৃত মায়ের টিপসহি ও স্বাক্ষর নকল করে জাল দলিল তৈরি করে সম্পত্তি লুটে নেওয়ার চেষ্টাও করেছে অভিযুক্তরা। পরবর্তীতে অন্যান্য ছোট ভাই-বোন একত্রে আদালতে দলিল বাতিলের মামলা করে রায় পেয়েছে,এরপরও বিবাদী খোরশেদ আলম ক্ষান্ত হয়নি শুরু করে নানান কুটকৌশল ও তাল বাহানা এমনকি হুমকি ধামকি দিয়ে নিরীহ বোনদের কাছ থেকে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পাঁয়তারা!
ছোট বোন মোসলেমাকে বিভিন্ন রকমের হুমকি ধামকি দিয়েও যখন লাভ হলো না তখনই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে চালালো অতর্কিত হামলা৷
ভুক্তভোগী মোসলেমা দৈনিক বাংলার নবকন্ঠকে জানায়,গত ২১/৫/২০২৩ ইং বিকাল আনুমানিক ৬:০০ ঘটিকায় ঝিঁরিঝিরি বৃষ্টির মধ্যে ফাঁকা রাস্তায় আমি কর্মস্থল হতে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় হঠাৎ অতর্কিত পিছন দিক থেকে আমাকে ধাক্কা মারে, আমি ঘটনাস্থলে মাটিতে পড়ে যাই,পরে দেখতে পাই খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী,খোরশেদ আলমের স্ত্রী তার গায়ের ওঁড়না দিয়ে আমার হাত বেঁধে ফেলে এবং খোরশেদ আলম আমার দুই পা চাপ দিয়ে ধরে রাখে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
Posted ১০:৩৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৪ মে ২০২৩
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]