মোঃ আলতাফ হোসেন বাবু বিভাগীয় চিফ,রাজশাহী | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট
বহুল আকাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল যা ইতিহাসের এক আলোচিত অধ্যায় হিসাবে ইতিহাসের খাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে জাতির অনেকের মনে করছেন।
এই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের জোট।
গত 12 ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য প্রদর্শন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী সদর ২ আসনে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও সাবেক এমপি জননেতা মিজানুর রহমান মিনু।
উক্ত নির্বাচনের সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ না হতেই বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের আসুন বন্টন নিয়ে দলের নীতি নির্ধারকদের মধ্যে এক আলোচনার ঝড় উঠেছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীবাসী দলের চেয়ারম্যান এবং আগামীর প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের কাছে দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর প্রাণপুরুষ ও বিএনপি’র সাবেক ছাত্রনেতা সাবেক এমপি ও সাবেক মেয়র বর্তমান এমপি জনাব মিজানুর রহমান মিনুকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রের মর্যাদায় জায়গা করে দেওয়ার জন্য।
রাজশাহী তথা উত্তরাঞ্চলের মানুষ মনে করছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাজশাহী অঞ্চল থেকে কেউ পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাননি।
বিগত হাসিনা সরকারের আমলে মাঝে মাঝে কেউ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেও রাজশাহীবাসীর পূর্ণ মন্ত্রীর যে আকাঙ্ক্ষা, তা অপূর্ণই থেকেই গেছে। তবে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন গোদাগাড়ী তানোর রাজশাহী ১ আসন থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নেতা আলহাজ্ব ব্যারিস্টার আমিনুল হক, যিনি অত্যন্ত দক্ষতা ও মর্যাদার শহীদ সারা বাংলাদেশে নাম কুড়িয়েছিলেন।
কিন্তু এবার ২১২টি আসন পেয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে যাওয়ায় রাজশাহীবাসী নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন এবং তাঁদের দাবি, অভিজ্ঞ ও রাজপথের পরীক্ষিত মিজানুর রহমান মিনুকে এবার পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় স্থান করে দিবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও আগামীর প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান।
রাজশাহীর ৬টি আসনের মধ্যে ৪টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি।
নির্বাচিত এই চারজন এমপির মধ্যে একমাত্র রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু ই সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং প্রবীণ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল।
রাজশাহীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বের প্রশংসা করছেন।
রাজশাহীর বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নেতৃবৃন্দ ও জনগণ মনে করেন “মিজানুর রহমান মিনুর মতো বলিষ্ঠ নেতা উত্তরাঞ্চলে আর নেই।
তারা এটাও মনে করেন মিজানুর রহমান মিনুকে পূর্ণাঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে পুরো উত্তরাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন আমূল পরিবর্তন ঘটবে।” যার মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি উন্নত হওয়ার ব্যাপক পথ প্রশস্ত হতে পারে।
তারা এটাও মনে করেন ‘শিক্ষা নগরী’ হিসেবে রূপ দিয়েছিলেন মিনু। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলে রাজশাহী আবারও তার হারানো ঐতিহ্য ফিরে পাবে।
উপসংহার রাজশাহীর নেটিজেন থেকে শুরু করে প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক—সবার মতেই, মিজানুর রহমান মিনু একজন ‘উন্নয়নের কারিগর’। বর্তমান প্রেক্ষাপটে উত্তরাঞ্চলের সুষম উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তাঁর মতো অভিজ্ঞ একজনকে মন্ত্রিসভায় রাখা সময়ের দাবি। রাজশাহীবাসীর এখন একটাই চাওয়া—বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে ‘সিংহ পুরুষ’ মিনুকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদায় দেখতে চাই।”
Posted ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।