লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩ প্রিন্ট
ইলিশা ফেরিঘাটে তরমুজ বোজাই একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ে তিন দিন অপেক্ষা করেও পার হতে পারেনি। এতে করে গাড়িতে থাকা তরমুজে পচনধরায় তরমুজ রেখেই পালিয়ে গেছেন ব্যবসায়ী নকুল রায় পরে ওই তরমুজ কম দামে বিক্রি করে দেন গাড়ির চালক। গত সোমবার (২৭-মার্চ) রাতে ইলিশা ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে। তরমুজ বহনকারী কাভার্ডভ্যানের চালক বাচ্চু মিয়া জানান, গত তিন দিন আগে ভোলার চরফ্যাশন থেকে দুই হাজার ৮০০ পিস তরমুজ নিয়ে রওনা করেন। এই তরমুজ হবিগঞ্জের মাধবপুরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু গত তিন ইলিশা ফেরিঘাটে এসেও পারাপার হতে পারেনি। এতে করে অনেক তরমুজে পচন ধরেছে ইতিমধ্যে অনেক গুলো তরমুজ পচে যাওয়ায় নদীতে ফেলা হয়েছে। তরমুজের এ দূরবস্থা দেখে কাভার্ডভ্যানে থাকা তরমুজ ব্যবসায়ী গাড়ি ভাড়া ও লোকশানের আশংকায় গাড়িতে তরমুজ রেখে পালিয়ে যায়।
তবে যাওয়ার সময় ব্যবসায়ী নকুল রায় তাকে তরমুজ বিক্রি করে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথা বলে গেছেন। পরে দুই হাজার ৮০০ পিস তরমুজ লটে ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করে দেন। তবে যথা সময়ে ফেরি পার হতে পারলে তরমুজ নষ্ট হতো না বলে দাবি করেছেন চালক বাচ্চু মিয়া গাড়ি ভাড়া দেওয়া ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির মালিক বাবুল মিয়া জানান, ব্যবসায়ী নকুল রায় ৮০ হাজার টাকায় কাভার্ডভ্যানটি ভাড়া নিয়েছেন। ঘাটেই তরমুজ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ী নকুল রায় চালককে তরমুজ বিক্রি করে ভাড়া নেওয়ার কথা বলে চলে যায় ব্যবসায়ী নকুল রায়’র অন্তত ৩ লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিসি) ইলিশা ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. পারভেজ জানান, কাঁচামালের গাড়ি গুলো দ্রুত পার করে দেওয়া হয়। তবে ওই গাড়িতে বৃষ্টিভেজা তরমুজ থাকায় এমনটা হয়েছে বর্তমানে ৪টি ফেরি চলছে। দুইটি মেরামতের কাজ চলছে। এছাড়াও গতকাল দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ফেরিসমূহের চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আর এতে করে ঘাটে কিছু অপেক্ষমান গাড়ি রয়েছে। জরুরি পণ্যবাহী গাড়িসমূহ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার হচ্ছে।
Posted ০৭:২০ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]