এম এ মজুমদার | সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬ | প্রিন্ট
অনিয়ম যেন তার কাছে নিয়মে পরিণত হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ভুয়া কর্মচারী পরিচয় দিয়ে দিনের পর দিন অপরাধ করে আসছে। বিভিন্ন ব্যবসায়ের কাছ থেকে কোম্পানি লাইসেন্স করে দেওয়ার নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা মন্ত্রণালয়ের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগ সাজেশে সে দিনের পর দিন এই কাজগুলো করে আসছে।
৫ ই আগস্ট এর আগে সে আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর সে ঘা ঢাকা দিয়ে আত্মগোপনে থাকে, এরপর আবার ভুল পাল্টিয়ে সে আবার আগের প্রতারণা কাজে ফিরে আসে। এই প্রতারণা করে সে নামে বেনামে অডেল সম্পদের মালিক হন। তার নিজ গ্রামে ৪০ লক্ষ টাকা খরচ করে ডুপ্লেক্স বাড়ি নির্মাণ করেন। তার নিজের ইসলামী ব্যাংকের একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায়। গুলিস্তানে তার জুতার শোরুম রয়েছে, তার ব্যক্তিগত বিকাশ নাম্বারে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া যায় এবং মন্ত্রণালয়ের কিছু কর্মকর্তার অবৈধ টাকা লেনদেন হয় তার একাউন্টের মাধ্যমে সে বছরে চার থেকে পাঁচবার দেশের বাইরে ভ্রমণ করতে যায়।
সম্প্রীতি দুদকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয় এই বিষয়ে মন্ত্রণালয় সচিবের কাছে জানতে চাইলেন তিনি বলেন দুদকের অভিযোগের বিষয়টি ও মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ আমরা তদন্ত করে দেখছি এবং তার সাথে মন্ত্রণালয়ের কারা কারা জড়িত রয়েছে আমরা সেগুলো বের করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসবো এবং ভুয়া পরিচয় দেয় মন্ত্রণালয়ের তার বিরুদ্ধে আইন আনুক কঠিন ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার ভোটার আইডি কার্ডে তাদের নাম হচ্ছে শান্ত আলম কিন্তু সেই সেই নামে পরিচিত না সেই সুজন নামে সকলের কাছে পরিচিত, তার গ্রামের বাড়ি হচ্ছে মাদারীপুর। উপরোক্ত বিষয়ে জানতে তার সাথে যোগাযোগ করলে সে বলে এগুলো ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট।
Posted ৫:৫৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।