মোঃ আলতাফ হোসেন বাবু, বিভাগীয় চিফ রাজশাহী
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬ প্রিন্ট
রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার তথা সারা বাংলাদেশের গর্বিত সন্তান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ উল ইসলাম পরিচালক, রামেক হাসপাতাল রাজশাহী এবং রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ড. মো. ফয়সাল আলম রাজশাহীর বাগমারা তথা বাংলাদেশের গর্বিত সন্তান ও সুনামধন্য প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা।
এই দুই কর্মকর্তা সহ রামেক হাসপাতালে দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে যে সমস্ত কর্মকর্তারা রামেক হাসপাতাল এবং রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের পরিচালনা পর্ষদের উপ- পরিচালক, সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) সহ বিভিন্ন দপ্তর ও ওয়ার্ডের দায়িত্বে রয়েছেন তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা, মানবতা ও দায়িত্ববোধ রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগ ও বহির্বিভাগ সহ সকল সেক্টরে পূর্বের তুলনায় সেবার সার্বিক মান বর্তমানে উন্নত থেকে উন্নততর দিকে ধাবিত করার প্রক্রিয়া চলমান এবং প্রতিনিয়তই রোগীদের পরীক্ষা নীরিক্ষা, চিকিৎসা সেবা, খাবারের মান উন্নত ও চিকিৎসক এবং নার্সদের সেবার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করণে সর্বদা তদারকি প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন এবং এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে তথ্য নিশ্চিত করেন, রামেক হাসপাতাল কতৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডাক্তার জনাব মোঃ আবু তালেব।
রামেক হাসপাতালের পরিচালক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ উল ইসলাম এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ড. মো. ফয়সাল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সার্বিক সহযোগিতায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের এবং নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান বজায় রাখতে নিরলস প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে ডাক্তারি পেশাকে উন্নত থেকে উন্নতির পথে অগ্রসর করতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করছেন একদল অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল চিকিৎসকবৃন্দ।
পাশাপাশি রোগীদের সেবা নিশ্চিত করছেন ইন্টারনী ডাক্তার ও নার্সগণ সহ আউটসোর্সিং এ কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
রামের হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, পরিচালক এবং অধ্যক্ষ সাহেবের সার্বিক পরিচালনায় ও তত্ত্বাবধানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা সহ সার্বিক পরিবেশ সুন্দর করার প্রক্রিয়া চলমান থাকলেও কতিপয় অসাধু কর্মকর্ত কর্মচারীরা বিভিন্ন সিন্ডিকেটের মধ্য দিয়ে সুন্দর পরিবেশকে নষ্ট করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যাহা রামেক হাসপাতালের পরিচালক ও অধ্যক্ষ সহ পরিচালনা পর্ষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নিয়ন্ত্রণে উক্ত অনিয়মগুলি বন্ধ করার সার্বিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
সাধারণ রোগী এবং জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায়, চিকিৎসা সেবা এবং খাদ্যের মান সহ অন্যান্য সেবা কে আরো গতিশীল করতে হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তাদারকি আরো জোরদার করার বিষয়ক গুরুত্ব দিতে হবে।
তবে অনেকে আশাবাদী যে প্রতিনিয়তই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আউটসোর্সিং এর কর্মরত কর্মচারীগণ কিছুটা সমস্যার কথা জানান এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় এ সমস্ত সমস্যা নিয়ে প্রতিনিয়ত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে যা সরকারের সহযোগিতায় দ্রত করতে সমাধান করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন। আমরা রাজশাহী বাসীর গর্ব রামেক হাসপাতালের পরিচালক ও অধ্যক্ষ পদে আমাদের তথা রাজশাহীর তানোর এবং বাগমারা উপজেলার কারো সন্তান, কারো ভাই রামেক হাসপাতাল রাজশাহীর পরিচালক পদে এবং অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
রাজশাহীর গর্বিত এই দুই কর্মকর্তা মনে করেন রাজশাহীর সকল সাংবাদিক ও মিডিয়া সহকর্মী,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং রাজশাহীর সুধী সমাজ সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ তাদের পাশে থেকে সেবার মান বজায় রাখতে সার্বিক সহযোগিতা করবেন যাতে করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের রাজ্যের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমান থেকে আগামী দিনের সালমান ও সেবা সুন্দর ও সাবলীল করতে তারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদের মর্যাদা রেখে রাজ্যে বাসের পাশে থাকতে পারেন।
রাজশাহীর কতিপয় সুধী সমাজ সহ সাধারণ মানুষের দাবি রামেক হাসপাতালের পরিচালক,ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে মাসুদ উল আলম এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ড.মো. ফয়সাল আলম সহ যে সমস্ত দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারী দায়িত্ব নিয়োজিত আছেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চান আপনাদের দায়িত্ববোধ ও কর্ম পরিচালনার পথচলায় যেনো রাজশাহী বাসিকে মুগ্ধ করে তুলতে পারে এবং রাজশাহী তথা সারা বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পারে এ ধারা তারা অব্যাহত রাখবেন।
Posted ০৫:৪২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]