মোঃ আলতাফ হোসেন বাবু, বিভাগীয় চিফ রাজশাহী
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬ প্রিন্ট
বিএমডিএর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ, দেশের কৃষি ও কৃষককে নিয়ে বিভিন্ন সময় দেশ পরিচালনায় ভূমিকা রাখার প্রক্রিয়া চালিয়ে গেছেন কিন্তু দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে তিনি সাধারণ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ওইভাবে ভালো কিছু উন্নয়ন করে দেখানোর সুযোগ পান নাই। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব,তারেক রহমান এর মাধ্যমে তার রাজনৈতিক দুর্দশতা ও প্রজ্ঞা তাকে এই দায়িত্বে নিয়ে এসেছেন।
তিনি এ দায়িত্ব পাওয়ার পিছনে রাজশাহীর গর্বিত নেতা জনাব মিজানুর রহমান মিনু,কৃষি মন্ত্রী, এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহীর জেলা ও মহানগরীর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ সহ রাজশাহীর স্থানীয় সকল মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দের আশা আকাঙ্ক্ষা চাওয়া পাওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন বলে আমাদের বিশ্বাস, যা বরেন্দ্র বাসির বিগত দিনের মনের গভীরে জমে থাকা বিভিন্ন সমস্যা গুলো কাটিয়ে ওঠে দেশ পরিচালনার এক নতুন সম্ভাবনার পথ দেখা দিতে পারে।
কারণ বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষ এটাও আশা করেন,রাজশাহীর গর্বিত সন্তান সাবেক ডাক টেলি যোগাযোগমন্ত্রী প্রয়াত আলহাজ্ব ব্যারিস্টার আমিনুল হক এর ছোট ভাই সাবেক পরিচালক বিএমডি রাজশাহী প্রয়াত ডক্টর আসাদুজ্জামান এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি উন্নয়নে নতুন আশার সঞ্চার করতে পারেন।
প্রয়াত ডক্টর আসাদুজ্জামান বিচক্ষণতা, ন্যায় নিষ্ঠা ও সততার মাধ্যমে বিএমডিএর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সভাপতি ও বিশিষ্ট কৃষিবিদ। তাঁর এই দায়িত্ব গ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষক, মেহনতী মানুষ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
কৃষি খাতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ে কাজের দক্ষতার জন্য পরিচিত হাসান জাফির তুহিন।
বরেন্দ্র অঞ্চলের মানুষ আরো আশাও প্রত্যাশা করেন যে,কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, সেচব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার প্রসারে বিভিন্ন সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে পানিসঙ্কটপূর্ণ বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও বিকল্প সেচ প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর কাজ ইতিমধ্যেই প্রশংসিত।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা তাঁর কাজের একটি বড় শক্তি। কৃষকদের সমস্যার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে সমাধানের পথ খোঁজার ক্ষেত্রে তিনি বরাবরই সক্রিয় ছিলেন। কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে তাঁর বিভিন্ন উদ্যোগ কৃষকসমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বিএমডিএ’র চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, সেচব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন এবং কৃষিকে আরও লাভজনক খাতে রূপান্তর করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাঁর নেতৃত্বে বরেন্দ্র অঞ্চলে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার বিস্তার ঘটতে পারে।
নিয়োগের পর বিভিন্ন মহল থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা আশা করছেন, তাঁর নেতৃত্বে বিএমডিএ আরও গতিশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
এইতো আছে তথ্যসূত্রে জানা যায় কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেন, “বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। টেকসই সেচব্যবস্থা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলের কৃষিকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে চাই।”
তাঁর এই নতুন দায়িত্বকে ঘিরে বরেন্দ্র অঞ্চলে আশাবাদের বাতাস বইতে পারে —যার মাধ্যমে উন্নত কৃষি ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।
Posted ১২:৫১ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]