আল মাসুদ লিটন, জামালপুর
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ প্রিন্ট
জামালপুরে বিএনপির দুই নেতার অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে প্রকাশের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে এডিট করে খণ্ডিত কলরেকর্ড ছড়িয়ে দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার দাবি করেছেন।
৪ মে সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের উপজেলা পরিষদ এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি শেখ আব্দুস সোবহান বলেন, ‘গত এপ্রিল মাসে জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে ছনকান্দা-চর যথার্থপুর বালুমহালের ইজারারা দরপত্র আহ্বান করা হয়। সে মোতাবেক আমরা ইজারার দরপত্র ক্রয় করি।
১৯ শে এপ্রিল দরপত্র দাখিলের দিন ধার্য ছিল। আগের দিন অর্থাৎ ১৮ই এপ্রিল জামালপুর সদর আসনের এমপি এড. শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন মহোদয়ের বরাত দিয়ে জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমীন মিলন, জেলা মৎসজীবী দলের সভাপতি আ. হালিম আমাকেসহ ইজারার সিডিউল ক্রয়কারীদের এমপি মহোদয়ের চেম্বারে ডেকে নেন। রুহুল আমীন মিলনের ফোনে আমার সাথেও এমপি মহোদয়ের কথা হয়। এমপি মহোদয় আমাকে সমঝোতার জন্য আহ্বান জানান। যেহেতু আমি ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, আমরা অধিকাংশ ইজারার সিডিউল গ্রহীতারা এমপি মহোদয়ের ব্যক্তিগত চেম্বারে একত্রিত হই। সেই দিন রাত্রেই রুহুল আমীন মিলন ও যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান বাকি সিডিউলগুলো বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে জমা নেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৯ এপ্রিল সকালে আমরা সকলেই মিলে এমপি মহোদয়ের চেম্বারে সমঝোতার বৈঠকে বসি। আলাপ-আলোচনা করে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির (পূর্ব শাখা) সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলামের আমেনা এন্টার প্রাইজের নামে ছনকান্দা চর যথার্থপুর বালু মহালের সর্বোচ্চ দরদাতা করার সিদ্ধান্ত হয়। আমাদের সকলের সিডিউলগুলো রুহুল আমীন মিলন ও আ. হালিম জমা নেন। সিদ্ধান্ত হয় সর্বোচ্চ দরদাতাসহ ৩টি সিডিউল আ. হালিম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রক্ষিত টেন্ডার ব্যাক্সে জমা দেবে। আমরা বিডিসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আ. হালিমের কাছে জমা দেই। পরে জানতে পারি আমাদের সমঝোতা সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে (আমিনুল ও হালিমের বক্তব্য অনুযায়ী) জামালপুর সদরের এমপি মহোদয়ের নির্দেশে গোপনে চুরি করে আমেনা এন্টার প্রাইজের অর্থাৎ আমিনুলের লাইসেন্সের বিডি সরিয়ে ফেলেন। শামীম এন্টারপ্রাইজের অর্থাৎ শামীম মাস্টারের স্ত্রীর নামে লাইসেন্সকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে দরপত্র বাক্সে জমা দেন। আমেনা এন্টারপ্রাইজের অর্থাৎ আমিনুলের সিডিউল বিডি ছাড়াই দরপত্র বাক্সে জমা করে। মূলত এমপি মহোদয়ের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্য এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। এই ঘটনার পর বালু মহালের সাথে জড়িত।
Posted ০৩:৫০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]