রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
মঙ্গলবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ প্রিন্ট
কুষ্টিয়ার হোটেল-রেস্টুরেন্টগুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, সময়ের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে কুষ্টিয়ায় দিন দিন বাড়ছে হোটেলের রমরমা ব্যবসা-বাণিজ্য। কুষ্টিয়া শহর ও উপজেলা শহরের হোটেলগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে রাতের খাবারে তাদের নির্ভর করতে হয় এসমস্ত হোটেলগুলোর উপর। কিন্তু অধিকাংশ হোটেল – রেস্টুরেন্টগূলো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করছেন না, খাবার তৈরি ও বিক্রি করছেন নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। ভুক্তভোগীরা উপায়ান্তর না থাকায় মুখ বুজে করছেন আহার।
জানা গেছে, কুষ্টিয়ার বেশীরভাগ হোটেলে খাবার তৈরি হচ্ছে পুরাতন তেল ব্যাবহার করে ও খোলামেলা স্থানে। বিশেষ করে রুটি, পরোটা, সিঙ্গারা, পিয়াজু, বেগুনী ভাজা হচ্ছে একাধিকবার ব্যবহার্য্য তেল দ্বারা। ভাত, মাছ ও মাংস সহ হরেক রকমের খাবারের আরো খারাপ অবস্থা। কুষ্টিয়া জেলায় এধরনের হোটেল রয়েছে ২০০টিরও বেশী। যার মধ্যে হাতেগোনা কয়েকটি হোটেলে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ও খাবারের গুনগত মান বজায় রেখে। বাকীগুলোর অবস্থা যা ইচ্ছা তাই। হোটেলগুলোতে অল্প বেতনে কম বয়সী ছোট -ছেলেদের দিয়েও কাজ করানো হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কুষ্টিয়ার মজমপুরস্থ বিশ্বাস হোটেল, বিসমিল্লাহ হোটেল, কোর্ট স্টেশন সংলগ্ন হোটেল ডিলাক্স ও শফি হোটেলে খাবার অযোগ্য পরিবেশ। খাবার প্রস্তুত করার কক্ষ গুলোর বেহাল দশা। দৌলতপুর উপজেলার সামনের দুটি হোটেলের মধ্যে সুমি হোটেলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে ভোক্তারা। দুপুরের মাছ চলে রাত্রিবেলাতেও। কুষ্টিয়ার বড় বাজারের কয়েকটি হোটেল, লেপ-তোষকের গলির হোটেলগুলো, বড় রেলস্টেশনের হোটেলগুলো ও কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের হোটেল ডিলাক্সেও নেই পরিচ্ছন্নতার বালাই ;আর চলছে পচা-বাসী খাবারের হিড়িক।
এ সমস্যা নিরসনে কুষ্টিয়াবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Posted ০৮:৩৯ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৩
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]