নবিজুল ইসলাম নবীন
বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪ প্রিন্ট
নীলফামারীর ডিমলা খালিশা চাপানি এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে তিনশ পরিবারের ঘর বাড়ি। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ৯ টায় ১০ মিনিটের ঝড়ের তাণ্ডবে তিনশ কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, ঝড়ের দাপটে টিনের চাল উড়ে গেছে গাছ চাপা পড়ে আহত ৪ জন। উপরে পড়েছে বৈদ্যুতিক খুঁটি।
কালবৈশাখী ঝড়ের তান্ডবে ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানি ইউনিয়নের বাইশপুকুর, ছোট খাতা, কাকিনা এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যায় এ কালবৈশাখী ঝড়।
বাইশপুকুর গ্রামের বাদশা আলমগীর জানান, হঠাৎ ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়েছে অনেক আদা পাকা ঘর। অনেক টিনশেড ঘর উরে নিয়ে গেছে। সকালে নদীতে পানি বাড়লেও দুপুরে দিকে কমতে শুরু করছে। অনেক পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
ছোটখাতা এলাকার আমিনুর রহমান বলেন, রাত থেকে এলাকায় বিদ্যুৎ নাই। এখনো পর্যন্ত বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন রাস্তার উপরে পড়ায় বিদ্যুতের খুটি ও গাছপালা সরিয়ে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
একই অবস্থা দক্ষিণ ছোটখাতা এলাকার হামিদুল, ইমদাদুল, মনির, হৃদয়সহ অনেকেই বলেন, আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে তবে রাতেও কিছু ঝড় বৃষ্টি হলেও সকাল সাড়ে ৯টায় পর হঠাৎ প্রবল বেগে ১০মিনিট মত ঝড়ো হাওয়ার কারণে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়।
খালিশা চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো:শহিদুজ্জামান সরকার জানান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৩০০ কাঁচা ঘরবাড়ি এ সময় গাছ চাপা পড়ে আহত হয়েছে চারজনের মত। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নামের তালিকা সংগ্রহের কাজ চলছে।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালমা জানান, নাউতারা ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ঝড়ে ঘর-বাড়ি বিধ্বস্তের খবর পেয়েছি চেয়ারম্যান – মেম্বার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে তবে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি সঠিক পরিমাণ বলা সম্ভব হচ্ছে না ।
জেলা আবহাওয়া অফিসের তথ্য মতে ,কালবৈশাখী ঝড়টির তীব্র বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০-৬৫ কিলোমিটার। পাশাপাশি প্রায় ৩০ মিনিট মতো বৃষ্টি হয়। মোট বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ২১ মিলিমিটার।
Posted ০৫:২৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
dainikbanglarnabokantha.com | Romazzal Hossain Robel
১৪, পুরানা পল্টন, দারুস সালাম আর্কেড, ১১ম তলা, রুম নং-১১-এ, ঢাকা-১০০০।
ফোন: ফোন: ০১৭১২৮৪৫১৭৬, ০১৬১২-৮৪৫১৮৬, ০২ ৪১০৫০৫৯৮
ই-মেইল: [email protected]