• শিরোনাম

    সুন্দরগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে ‘স্বতন্ত্র”মোড়কে বিএনপি

    কেএম নূরুল আমিন, গাইবান্ধাঃ | বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 10 বার

    সুন্দরগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে ‘স্বতন্ত্র”মোড়কে বিএনপি
    apps
    বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল-বিএনপি। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারবার এমন কথা বললেও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে এর উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। উপজেলার প্রায় সবকটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি নেতারা। তবে দলীয় ব্যানারের পরিবর্তে স্বতন্ত্র মোড়কে নির্বাচন করছেন তারা। আসন্ন ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৩টি ইউনিযনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে বারোটি ইউনিয়নে বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে লড়বেন। তাদের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করেছে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাগণ। উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়ন ব্যতীত ১২টি ইউনিয়নে বিএনপির ১৫ নেতা-কর্মী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। তারা হলেন, ১নং বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান নজমুল হুদা। ২নং সোনারায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচএম মতিয়ার পারভেজ। ৩নং তারাপুরে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কিবরিয়া। ৪নং বেলকায় সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। ৫নং দহবন্দে উপজেলা যুবদলের সদস্য আরাফাত-উল-ইসলাম। ৬নং সবার্নন্দে উপজেলা বিএনপির সদস্য একেএম নুরুন্নবী। ৭নং রামজীবন ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সোলায়মান হোসেন। ৯নং ছাপড়হাটী ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তাঁরা মিয়া ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম আযম সরকার। ১০নং শান্তিরাম ইউনিয়নে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজানুর রহমান। ১২নং কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান মনোয়ার আলম সরকার। ১৩নং শ্রীপুর ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান ও গাইবান্ধা জেলা কৃষক দলের যুগ্ম-সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম। ১৫নং কাপাসিয়া ইউনিয়নে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম সরকার ও ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য জামাল উদ্দিন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করা একাধিক প্রার্থী জানান, মূলত স্থানীয় জনগণের চাওয়া পূরণেই প্রার্থী হয়েছেন তারা। এক্ষেত্রে দলীয় বিবেচনার চেয়ে জনগণের চাওয়াকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন নেতারা। এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কঞ্চিবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার আলম সরকার বলেন, ‘আমি গত ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। তাই আমার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে এবারো নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছি। দলীয় ইমেজের বাইরেও আমার একটি নিজস্ব ইমেজ রয়েছে। দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি।’ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহামুদুল ইসলাম প্রামানিক বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে জাতীয়, স্থানীয় কোনো নির্বাচনেই যাবে না বিএনপি। তাই ইউপি নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে কোন প্রার্থী দেয়া হচ্ছে না। তবে কেউ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে দলের কোন বাঁধা নেই। এখন যারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, তারা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তে নির্বাচন করছেন।

    বাংলাদেশ সময়: ১২:৫৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ