• শিরোনাম

    সিরাজগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে কৃষকের ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    টি,এম,এ হাসান, সিরাজগঞ্জ : | বৃহস্পতিবার, ২০ মে ২০২১ | পড়া হয়েছে 119 বার

    সিরাজগঞ্জে ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে কৃষকের ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
    apps

     

    সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ১৪৪ধারা ভঙ্গ করে কৃষকের ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে কৃষকের পরিবারের কয়েকজনকে মারধর করারও। গত ১৭মে (সোমবার) উল্লাপাড়া উপজেলার মধ্য মহেষপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে জোরপূর্বক জমির ধান কেটে নিয়ে যেতে পারে এমন আশংকা থেকে গত ১১মে তারিখে ১৪৪ধারা জারির আবেদন করে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মোকাদ্দমা করেন ভুক্তভোগী একই গ্রামের মৃত দবির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে মোহাম্মদ সেরাজ মন্ডল (৭৫) যার এমআর মোকাদ্দমা নং ২১৫/২১। আদালতের মোকদ্দমা ও উল্লাপাড়া থানা পুলিশের নোটিশের সূত্রে জানা যায়, মো. সেরাজ মন্ডল বাদী হয়ে সাতজন বিবাদীর নাম উল্লেখ পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে একটি মোকদ্দমা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত বিবাদমান সম্পত্তিতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখিবার জন্য উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৪ ধারা মতে নোটিশ জারি করার নির্দেশ প্রদান করিয়া অনুলিপি প্রদান করেন। এর প্রেক্ষিতে উল্লাপাড়া মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান বিবাদীদের বরাবর একটি নোটিশ প্রেরণ করেন। নোটিশ প্রাপ্ত বিবাদীরা হলেন, উল্লাপাড়া থানার মধ্য মহেষপুর গ্রামের মৃত গঞ্জের সরকারের ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫), তার স্ত্রী নাজমা খাতুন (৪০), ছেলে নাজমুল হোসেন (২৫), মো. সোলেমান হোসেনের ছেলে আলাম হোসেন (৪৮), বাবু (৩০), মৃত হাকিমুদ্দিন সরিকারের ছেলে মো. সোলেমান হোসেন (৬৫) ও সলঙ্গা থানার তেলকুপি গ্রামের আবু বক্কারের ছেলে মো. আঃ রহমান (৬০) যেখানে উভর পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে উভয়পক্ষের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আগামী ৫জুলাই তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে হাজির হতে বলা হয়। নোটিশে আরও বলা হয়, এর মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট করিলে বিশৃঙ্খলা কারীদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তবুও এই নির্দেশনা অমান্য করে গত ১৭মে বাদী পক্ষকে মারধর করে ধান কেটে নিয়ে যায় তারা। এবিষয়ে বাদী সেরাজ মন্ডল (৭৫) বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞাও অমান্য করে তারা আমাদের মারধর করে জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে। আমি বাধ্য হয়ে আদালতে আবার মামলা করতেছি। এবিষয়ে বিবাদী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, জমিটা আমার নামেই নিবন্ধনকৃত ও খাজনা খারিজও আমিই দেই। তাই আমি ধান কেটেছি। তবে ১৪৪ধারা বা নির্দেশনা আছে জেনেও থানার নোটিশ পাওয়ার পরেও কেন ধান কাটলেন এর কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। উল্লাপাড়া মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান বলেন, আমি দায়িত্ব সহকারে নোটিশ টা তাদের পৌঁছে দিয়ে ধান কাটতে নিষেধ করেছিলাম। তারপরও যেহেতু ধান কেটেছে ও আদালতে এজাহার হয়েছে এখন সেই অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বাংলাদেশ সময়: ৮:২৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২০ মে ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ