• শিরোনাম

    সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি,কমতে শুরু করছে

    টি,এম,এ হাসান, সিরাজগঞ্জ: | রবিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | পড়া হয়েছে 27 বার

    সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি,কমতে শুরু করছে

    সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি,কমতে শুরু করছে

    apps

    যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে গত ২৪ঘন্টায় ৮ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে এখন ধীরে ধীরে আরও কমতে শুরু করবে যমুনার পানি। এদিকে যমুনার পানি কমলেও অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও চলনবিলের পানি প্রায় আগের অবস্থাতেই রয়েছে। এর মধ্যেই পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার প্রায় লাখো মানুষ, তলিয়ে গেছে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল। অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বন্যার্তদের জন্য জেলা শহর ও ৫টি উপজেলায় মজুত বাড়িয়ে ৭২১ মেট্রিক টন চাল ও সাড়ে সাত লাখ নগদ টাকা করা হয়েছে। এর মধ্যে নদীভাঙন ও নিম্নাঞ্চল এলাকায় শুরু করা হয়েছে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম। রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন ও সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম।

    সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের গেজ মিটার (পানি পরিমাপক) আব্দুল লতিফও পানি কমার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ১৪ আগস্ট থেকে শুরু করে গত ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যমুনা নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার নদীতীরবর্তী আরও কিছু নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটে পানি ওঠায় বিপাকে পড়েছেন বন্যাদুর্গতরা। অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে উঁচু রাস্তা বা স্কুল মাদ্রাসার মাঠে খোলা আকাশের নিচে থাকছে। সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, গত কয়েক দিন হলোই যমুনায় পানিবৃদ্ধি অব্যাহত ছিল। তবে গত ২৪ ঘন্টায় যমুনা নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার কমেছে। তিনি আরও বলেন, বন্যা পূর্ভাবাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, যমুনা নদীর পানি এই মুহুর্তে আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই ও কমতে থাকবে। তবে পানি কমলেও এখনো বিপৎসীমার ৫৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সদর ও শাহজাদপুরের কিছু এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। তিনি আরও বলেন, জেলার ৫টি উপজেলায় ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১ লাখ নগদ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা সেটা তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ শুরু করেছেন। এ ছাড়া জেলায় ৭২১ মেট্রিক টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা মজুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও আমরা নিয়মিত বন্যা ও বন্যা দূর্গতদের খোঁজ খবর রাখছি।

    বাংলাদেশ সময়: ৫:৪৩ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ