• শিরোনাম

    সাদুল্লাপুরে ভাতের সাথে নেশা খাওয়ায়ে বাড়ি লুট

    নিজস্ব প্রতিবেদক | মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর ২০২১ | পড়া হয়েছে 66 বার

    সাদুল্লাপুরে ভাতের সাথে নেশা খাওয়ায়ে বাড়ি লুট
    apps

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাটে কত কয়েক মাসে বেড়েছে চুরি,ছিনতাই,মাদকের প্রকোপ।নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাধারণ জনগন। গত ১০ অক্টোবর রাত্রি ৮টার দিকে অপরিচিত একব্যক্তি সাদিপাড়া গ্রামের মৃত্যু আফান মন্ডলের পুত্র সাদা মন্ডলের বাড়িতে তড়িঘড়ি করে প্রবেশ করে বলে আপনার ছেলে ঢাকা থেকে ফোন করেছে। আবারও ফোন দিবে বলে সুকৌশলে ঘরে অবস্থান করে পান খাবে বলে গৃহকর্তার স্ত্রী লিলি বেগমকে অন্য ঘরে পাঠিয়ে ভাতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে চলে যায়।সেই খাবার খেয়ে রাতে গৃহকর্ত্রী ও গৃহকর্তা গভীর ঘুমে আচ্ছন হলে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে তার মেয়ের রেখে যাওয়া দুই ভরি স্বর্ণ,ও গৃহ কর্ত্রীর আধা ভরি মোট আড়াই ভরি গরু ,ধান,বিক্রিও জমানো টাকা লুটে নিয়ে যায়। সকাল নয়টার দিকে এলাকাবাসী বাড়ির সদর দরজা খোলা দেখে বাড়ির ভিতর প্রবেশ করে অচেতন অবস্থায় স্বামী স্ত্রী করে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয়। এছাড়া গত কয়েকদিন পূর্বে হিংঙ্গার পাড়া গ্রাম থেকে তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে চোর। গত ৯ অক্টোবর রাত্রি ১ টার দিকে ধাপেরহাট টু আমবাগান রোডের লালমাটির ঘাটের পূর্বে বকশিগঞ্জের রাস্তায় রংপুর পীরগঞ্জের কাবিল পুর ইউনিয়নে শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত্যু বাহার আলী পুত্র মতির মিশুক অটোভ্যান ছিনিয়ে নিয়েছে ছিনতাইকারীরা। কেড়ে নিয়েছে যাত্রীর সর্বস্ব। ১০ অক্টোবর রাতে চাতাল ব্যবসায়ী রিপন সাহার বাড়ি চুর হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় ধাপেরহাট চতরা রোডের বাজার মসজিদ দেয়াল ঘেঁষে সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ টায় ঘাস বিক্রেতা রংপুর জেলার পীরগন্জের কাবিলপুরের গুপিনাথপুর গ্রামের মৃত আব্বাস হোসেনের পুত্র ইসমাইল হোসেন অটোভ্যানটি রেখে বাজারে সুপারি কেনার জন্য যায় ফিরে এসে দেখে তার অটোভ্যানটি আর নাই। প্রতিনিয়ত দিনে রাতে ঘটছে চুরি, ছিনতাই ও বাড়ি চুরি, গরু চুরির মত ঘটনা। সর্বস্ব হারিয়ে অনেকে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করে প্রতিকার না পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর আস্হা হারিয়েছে। সর্বস্ব হারানোর ভয়ে বিনিদ্র রজনী কাটছে গৃহস্থ পরিবারগুলোর ।চুরি ছিনতাই বাড়ি লুটের ঘটনা রোধে সংশ্লিষ্ট সকলের আসু হস্তক্ষেপ আসা করে এলাকাবাসী। এনিয়ে গত এক মাসে উপজেলার একমাত্র ধাপেরহাট ইউনিয়ন থেকে ৪ টি গরু, ৮ টি অটোভ্যান, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ ৯ টি বাসা বাড়িতে চুরি সংঘটিত হলেও পুলিশ কোন চোর কিংবা কোন ছিনতাই কারীকে গ্রেফতার করতে পারে নাই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক সেরাজুল হক বলেন, চুরি ছিনতাই রোধে গ্রামীন রাস্তা গুলোতে পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। চোর ও ছিনতাই কারী সিন্ডিকেটের সদস্যের গ্রেফতারের তৎপরতা অব্যাহত আছে।

    বাংলাদেশ সময়: ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ