• শিরোনাম

    শেরপুর সরকারি ঘর দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ।

    এনামুল হক, শেরপুর | মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১ | পড়া হয়েছে 469 বার

    শেরপুর সরকারি ঘর দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ।

    মহিলা মেম্বার

    শেরপুর সদর  উপজেলার ১০নং চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের ১,২ ও ৩ নং  ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার মোছাঃ পারুল বেগমের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার আঞ্চয়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    হতদরিদ্র, গরিব ও অসহায়দের ঘর দেয়ার নামে টাকা নেয়ার প্রায় দুই বছরেও ঘর পাননি তারা। দীর্ঘদিন ধরে পারুল মেম্বারের এর কাছে ঘরের ব্যাপারে কথা বলতে গেলে মেম্বার গালি-গালাজ ও ভয়ভীতি দেখায়।
    মেম্বারের ভয়ে ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরতের দাবিতে একাদিক বার বললেও তিনি ফেরত দিচ্ছে না এমনটাই অভিযোগ দিয়েছেন একই ইউনিয়নের ১ নং ওর্য়াডের বাসিন্ধা মোঃ হাবুল মাইরে।
    জানা গেছে, গত বছর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে বিনা খরচে ঘর নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ ঘরগুলোর নির্মাণকাজ চলমান আছে। তখন ভুক্তভুগী হাবুল মাইরে কে ঘর দিবে ৫০(পঞ্চাশ) হাজার টাকা নেন।
    ভুক্তভোগীরা বলেন, আমার মত আরো অনেকেই তার কাছে টাকা দিয়েছে কিন্তু ঘর পায়নি।
    হাবুল মাইরে জানান,,পারুল মেম্বার দীর্ঘদিন থেকে আমাকে বলতেছে (হাবুল)তুমি গরিব মানুষ ৫০ হাজার টাকা দাও তোমাকে একটা সরকারী বিল্ডিং ঘর দিবো। নানা ভাবে ফুসলিয়ে অবশেষে মেম্বার কে ৫০ হাজার টাকা দেয় ভুক্তভুগী হাবুল মাইরে।
    অপরদিকে একই গ্রামের হাসান আলী মাইরে  স্ত্রী মাহফুজা বেগম (২৮) বলেন, যত্ন প্রকল্পের পুষ্টি ভাতা কার্ড দিবেন  বলে আমার কাছ থেকে ৪,৬০০ হাজার টাকা নিয়েছে এখন টাকা বা কার্ড কোনটাই দিচ্ছেনা আজ নয় কালদিবে বলে প্রায় বছর পার করেছে। এখন পারুল মেম্বারের  কাছে যত্ন প্রকল্পের কার্ড ব্যাপারে কথা বলতে গেলে পারুল মেম্বার গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখায়। এঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট দাবী জানান ভুক্তভোগীরা।
    অভিযুক্ত পারুল মেম্বারের  সাথে কথা বললে, তিনি অর্থ নেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমি সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে ৩৫ হাজার এবং পুষ্টি ভাতার কার্ডের জন্য ৬,৪০০ টাকা নিয়েছি।
    তিনি গোপনে সাংবাদিকদের ম‍্যানেজ করতে চেয়েছিলেন, অৎপর সাংবাদিকরা মানবিক দিক বিবেচনা করে ভুক্তভুগীদের দেওয়া টাকা ফিরত চাইলে ২০ হাজার টাকা দিয়ে অভিযুক্তকে মিমাংশ করতে  চায় এই রাক্ষুসে পারুল মেম্বার।
    এলাকাবাসী ও সচেতন মহল তার জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে সুস্থ বিচার চাই।এ ব‍্যাপারে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার  মোহাম্মদ ফিরোজ আল-মামুনকে মেটোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি  জানান,আমি সরকারী ঘর দিবে বলে অর্থ নেওয়ার কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব।

    বাংলাদেশ সময়: ১:১৫ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ