• শিরোনাম

    শান্ত রাজার দাম দশ লাখ!

    অনলাইন ডেস্ক | শনিবার, ১০ জুলাই ২০২১ | পড়া হয়েছে 52 বার

    শান্ত রাজার দাম দশ লাখ!
    apps

    মো. নিজাম উদ্দিন, নবীনগর প্রতিনিধি:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলাবাসীর নজর কেড়েছে ২৭ মণ ওজনের ষাঁড় “শান্ত রাজা”। এই ষাঁড়টির মালিক উপজেলা সদরের মা ডেইরী ফার্মের স্বত্ত্বাধিকারী টুক্কুন মিয়া। গত এক বছর ধরে টুক্কুন মিয়া এই ব্রাহামা-সিন্ধি সংকর জাতের চার বছর বয়সী ষাঁড়টি লালন পালন করছেন। এখন তিনি এই ষাঁড়টিকে বিক্রি করতে চান। শান্ত রাজাকে দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকার লোকজন ভিড় করেন খামারি টুক্কুন মিয়ার বাড়িতে। কয়েকজন ক্রেতা এই ষাঁড়টি কেনার আগ্রহ প্রকাশ করলেও এখন পর্যন্ত কোন দাম হাঁকাননি বলে জানিয়েছেন এই খামারি।
    সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতা ও ৯ ফুট লম্বা এই ষাঁড়টির ওজন ২৭ মণ। ষাঁড়টি শান্ত স্বভাবের হওয়ায় খামারি টুক্কুন মিয়া এর নাম দিয়েছে ‘শান্ত রাজা’। কাঁচা ঘাস, খৈল, ভুসি, ডালের গুড়া, খড়, চিটাগুর, খাওয়াইয়ে প্রাকৃতিকভাবে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করেছেন বলে জানিয়েছেন খামারি টুক্কুন মিয়া। তিনি বলেন, গত বছর এই ষাঁড়টিকে লহরী গ্রামের খামারি নাছির মিয়ার কাছ থেকে কিনেছি। আমার খামারে এনে গত এক বছর যাবৎ লালন-পালন করছি। এখন প্রতিদিন শান্ত রাজার পেছনে আমার ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা খরচ হচ্ছে। আমি শান্ত রাজার দাম দশ লাখ টাকা দাম হাঁকছি। আশা করছি, বাড়িতে রেখেই শান্ত রাজাকে বিক্রি করতে পারব।
    স্থানীয়রা বলেন, নবীনগর উপজেলায় এত বড় গরু আর কখনও দেখা যায়নি। আমাদের জানা মতে, নবীনগর উপজেলার মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় গরু। টুক্কুন মিয়া অনেক যত্ন সহকারে এই গরুটি লালন-পালন করেছেন। লকডাউনের কারণে বাজারে নেয়া সম্ভব না হলে, ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে খামারী টুক্কুন মিয়া।
    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শামীম আহমেদ বলেন, নবীনগরের মধ্যে অন্যতম বড় গরু এটি। খামারি এই গরুটিকে ন্যায্য দামে বিক্রি করে লাভবান হলে, আগামীতে অনেকেই তাকে দেখে ভাল জাতের ষাঁড় পালনে আগ্রহী হবে।

     

    বাংলাদেশ সময়: ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ১০ জুলাই ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ