• শিরোনাম

    লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার: দূর্ঘটনার আশঙ্কা, প্রশাসন নিরব ॥

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি | সোমবার, ০৯ মে ২০২২ | পড়া হয়েছে 28 বার

    লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার: দূর্ঘটনার  আশঙ্কা, প্রশাসন নিরব ॥

    লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার: দূর্ঘটনার আশঙ্কা, প্রশাসন নিরব ॥

    apps

    শরীয়তপুরের জাজিরার ছাত্তার মাদবর মঙ্গলমাঝির) লঞ্চঘাটে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করে
    নদী পারাপারের অভিযোগ উঠেছে। এতে করে বড় ধরণের দূর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে স্থানীয়দেও অভিযোগ রয়েছে। তবে রহস্য জনক কারনে প্রশাসন নিবর রয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে বাড়ী থেকে কর্মস্থালে জিবনের ঝুকি নিয়ে ফিরছে হাজার
    হাজার যাত্রীরা। শনিবার বি এস নেভিগেশন কোং লঞ্চটির বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৯৬ থেকে ১৩০ জন নিধার্রন করলে, সেখানে গাদাগাদি করে প্রায় ২০০ থেকে ২শত ৫০ জন যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি জাজিরার মাঝীরঘাট থেকে মাওয়ার শিমুলিয়ার ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এ
    ঘাটের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছেড়ে যাওয়া ছোট আকারের সকল লঞ্চের একই চিএ। এখানে মানা হচ্ছে না কোন নিয়মনীতি। পাশাপাশি লঞ্চগুলোতে নেই কোন যথাযথ বয়ার ব্যবস্থা, অধিকাংশ লঞ্চের নেই কোন ফিটনেস সনদ, অদক্ষ মাস্টারসহ বিভিন্ন ত্রুটি রয়েছে লঞ্চগুলোতে। এতে করে বড়
    ধরণের দূর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে রহস্য জনক কারনে প্রশাসন নিবর ভুমিকা পালন করছে। বিষয়টি নিয়ে সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলে ঘাট ও লঞ্চকৃর্তপক্ষের কাছে তাদের লাঞ্চিত হতে হয়। এ সব বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ কওে কোন সুরাহা পায়না
    তারা। তবে রহস্য জনক কারনে প্রশাসন নিবর ভুমিকা পালন করছে। ছাত্তার মাদবর লঞ্চঘাটের যাত্রী আসমা বেগম, জসিম ঢালী, রমজান মিয়া বলেন, প্রতিটি লঞ্চেই অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার
    করছে। লঞ্চে নেই পর্যাপ্ত বয়াসহ কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছি। আমরা এখানে কোন কথা বলতে পারি না। যে কোন বিষয়ের প্রতিবাদ করলেই

    আমাদেরকে অপমান করা হয়। ছাত্তার মাদবর লঞ্চঘাটের স্থানীয় ব্যবসায়ী লতিফ খান বলেন,
    সেভাবে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। যে কোন সময় বড় ধরনের দূঘটনা ঘটতে পারে। এখানে বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ ও ঘাট কৃর্তপক্ষ কোন দায়িত্বশীল ভুমিকা পালনকরছেন না।
    ঘাটের ইজারাদার মোকলেজ মাদবর বলেন, আমাদের ঈদ উপলক্ষ্যে যাত্রীর চাপ একটু বেশী, তবে নিয়মিত ফেরি চলাচল করার কারনে লঞ্চে তেমন অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে না।
    জেলা রোভার স্কাউট সদস্য মো: সজিব খান বলেন, শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আমরা জেলা রোভার স্কাউট সদস্যরা যাত্রী সেবায় মঙ্গল মাঝির ঘাট এলাকায় যাই। সেখানে আমরা গিয়ে দেখি লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অতিরিক্ত টোল আদায় করছে। আমাদের উপস্থিতি কারনে
    অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও টোল আদায় কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আসে। তবে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী থাকা সত্বেও বি এস নেভিগেশন কোং লঞ্চটির সারেং সুমন বলেন, আমরা অতিরিক্ত যাত্রী নিচ্ছি না। স্বাভাবিক যাত্রী নিয়েই যাচ্ছি। বিষয়টি নিয়ে ছাত্তার মাদবর লঞ্চঘাটে দায়িত্বরত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ এনাম বলেন, আমরা সর্বদা সতর্ক দৃষ্টি রাখছি, যাতে করে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন না করা হয়।
    এ বিষয়ে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান সোহেল বলেন, লঞ্চের নিচের রং করা লালদাগযদি ডুবে না যায় তাহলে অতিরিক্ত যাত্রী বলা যাবে না। তবেলালদাগ ডুবিয়ে কেউ যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না। আমরাসে বিষয়ে সার্বিক সজাগ দৃষ্টি রাখছি।

    বাংলাদেশ সময়: ৬:২৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৯ মে ২০২২

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ