• শিরোনাম

    ব্যবসায়িক পার্টনারের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত ;টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে মৃত্যুর মুখে কুষ্টিয়ার ইউসুপ আলী।

    কুষ্টিয়া দৌলতপুর প্রতিনিধি চঞ্চল হোসেন। মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

    ব্যবসায়িক পার্টনারের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত  ;টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে মৃত্যুর মুখে কুষ্টিয়ার  ইউসুপ আলী।

    apps

    কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর ইউনিয়নের মৃত ইয়াকুব আলী বিশ্বাসের ছেলে ইউসুপ আলী (৩৯)একই ইউনিয়নের কবুরহাটের মৃত মফিজ উদ্দীন প্রামাণিকের ছেলে হাজী লিয়াকত আলী (৬৫) যিনি বর্তমান কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সাদ্দাম বাজারের নাসির ডাক্তারের গলিতে বসবাস করেন।সম্পর্কে ইউসুফ আলী ও হাজি লিয়াকত আলী দূর সম্পর্কের ভাইরা ভাই আর এই সম্পর্কের কারণে একসময় চাল ব্যবসায়ী হাজি লিয়াকত আলী ইউসুফ আলীকে তার সাথে পার্টনারশিপে ব্যবসা করার প্রস্তাব করে বসে, হাজী লিয়াকত আলীর এই প্রস্তাবে ইউসুব আলী তার মূল ধন ২০০১ সালে পার্টনারশিপ ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন।বিনিয়োগের পর থেকে পার্টনারশীপ ব্যবসা ভালোভাবেই চলে আসছিল কিন্তু মূল সমস্যা বাদে তখন যখন ইউসুফ আলীর দুটো ভাল্ব এবং কিডনি নষ্ট হয়ে যায় তখন চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায় আর এই প্রয়োজনীয় অর্থের কারণে পার্টনারশিপ ভেঙ্গে তার মূলধন ফেরত চান ইউসুফ আলী তখন তার পার্টনার হাজী লিয়াকত আলী বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা শুরু করেন এমনকি পার্টনারশীপের হিসাবের খাতা পত্র তিনি সরিয়ে ফেলেন।পরবর্তী সময় স্থানীয় বিভিন্ন লোকজনের সহায়তা নিয়ে হাজি লিয়াকত আলীর কাছ থেকে চিকিৎসার জন্য ১8 লক্ষ টাকা উদ্ধার করেন এবং বাকি ১৪ লক্ষ টাকা কিছুদিন পরে দেবে এই মর্মে হাজি লিয়াকত আলী অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। অঙ্গীকার বদ্ধ হওয়ার কিছু দিন পরে যখন হাজি লিয়াকত আলীর দেনার টাকা পরিষধের সময় আসে তখন মেসার্স লিয়াকত রাইচ মিলের মালিক হাজি লিয়াকত আলী আবার নতুন করে টাকা না দেওয়ার তাল বাহানা শুরু করেন এবং এখন পর্যন্ত তাকে নানান অজুহাতে টাকা না দিয়ে ঘোরাতে থাকে এদিকে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যাশয়ী ইউনুস আলী দিনের পর দিন মৃত্যুর কোলের দিকে ঢুলে পড়ছে।

    ইউসুপ আলীর দাবি ৩২ লক্ষ টাকার পাওনাদার হিসাব না মিটিয়েই এই রাইচ মিল ব্যাবসা থেকে অব্যাহতি দেন তাকে। এবং পাওনা টাকা চাইতেগেলেই ইউসুপ আলীকে বিভিন্ন হুমকিধামকি দিতে থাকে লিয়াকত আলী।
    তার পরিবার জানিয়েছেন লিয়াকত আলির থেকে পাওয়া টাকাটা পেলেই উন্নত চিকিৎসা করানো সম্ভব ইউসুপকে। এঘটনায় ইউসুপ আলী বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি অভিযোগ ও গত ২৯ ই জুলাই একটি সাধারণ ডায়েরী করেন যার নং- ২২৩৭। তাই ইউসুপ আলীর পরিবার ও স্বজনদের দাবি আইননের সঠিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তার পাওনা টাকা ফেরত পেলে সুস্থ ভাবে জীবন যাপন করতে পারবেন ইউসুপ

    বাংলাদেশ সময়: ১০:২০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ