• শিরোনাম

    নড়িয়ায় ৩০ টি সরকারী গাছ তহসিলদার ও বন বিভাগের কর্মচারীর সহায়তায় কেটে বিক্রি করার অভিযোগ

    শরীয়তপুর প্রতিনিধি ঃ | সোমবার, ০৯ মে ২০২২ | পড়া হয়েছে 33 বার

    apps

    শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নড়িয়া-ঘড়িসার আঞ্চলিক মহাসড়কের পন্ডিসার এলাকায় রাস্তার পাশের্^ থাকা ৩০ টি গাছ তহসিলদার ও বন বিভাগের কর্মচারীরীর সহায়তায় কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে। ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা বলছেন বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে গাছ কেটে নিয়েছেন। নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি (এ্যসিল্যান্ড) বলছেন বিষয়টি আমি জানি না। এটি বনবিভাগের বিষয়। শরীয়তপুর জেলা বন বিভাগের উপ-পরিচালক বলছেন, আমরা কাউকে সরকারী গাছ কেটে নেওয়ার অনুমতি দেইনি। কেউ সরকারী গাছ কেটে নিয়ে থাকলে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
    ঘড়িসার ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা, নড়িয়া উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের নড়িয়া- ঘড়িসার আঞ্চলিক মহাসড়কের পন্ডিসার এলাকায় রাস্তার পাশের্^ থাকা ৩০ টি বিভিন্ন প্রজাতির সরকারী গাছ কেটে বিক্রি করেছে প্রবাসী কালন বেপারীর স্ত্রী নার্গিস বেগম। ঘড়িসার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র সংলগ্ন তার বাড়ীর সামনে থাকা সরকারী ১০ টি মেহগনি ১২ টি কড়ই ও ৬ টি চাম্বুল গাছ সহ মোট ৩০ টি গাছ কেটে বিক্রি কওে দিয়েছেন। যার আনুমানিক মুল্য প্রায় ১০ লাক টাকা। আরো জানা যায়, প্রভাবশালীরা বন বিভাগের লাল কালি দিয়ে দাগাংকিত এল ২৪ থেকে এল ৫২ পর্যন্ত গাছ গুলি কেটে নিয়েছে। এ সময় ঘড়িসার ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন মোল্লা বাধা দেন। তখন তিনি বন বিভাগের অনুমতি আছে বলে প্রভাব খাটিয়ে গাছগুলি নিয়ে যান। একদিকে সরকারের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে অপর দিকে অপরাধীরা সরকারী কর্মচারীদের যোগসাজস্বে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে।
    ডিঙ্গা মানিক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক দুলাল ঢালী বলেন, রাস্তার পাশের্^ থাকা সরকারী গাছ গুলি কাটতে দেখেছি। তবে কারা কাটছে ও কারা বিত্রিু করেছে তা জানি না।
    প্রবাসীর কালন বেপারীর স্ত্রী নার্গিস বেগম বলেন, ঘড়িসার ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহসিল দার ফরহাদ হোসেন মোল্লা, নড়িয়া উপজেলা বন বিভাগের কেয়ার টেকার জামাল হোসেনরা মিলে গাছ গুলো কেটে নিয়ে গেছে। এর বেশি আমি কিছু জানি না।
    ঘড়িসার ইউনিয়নের ভুমি সহকারী কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন মোল্লা বলেন, সরকারী গাছ কেটে নেওয়ার খবর পেয়ে আমরা সেখানে যাই। বন বিভাগের অনুমতির কথা শুনে আমরা সেখান থেকে চলে আসি।
    গাছ কেটে নেওয়ার কথা অস্বীকার করে নড়িয়া উপজেলার বন বিভাগের কেয়ার টেকার মোঃ জামাল হোসেন বলেন, সরকারী কেটে নেওয়ার বিষয়ে আমাদো কাছে কেঊ আসেনি। এর সাথে আমি জড়িত না।
    নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি (এ্যসিল্যান্ড) কাফি বিন কবীর বলছেন, এ বিষয়ে আমি আপনাদে কাছ থেকে শুনলাম। এটা আমাদের বিষয় না। এটা বনবিভাগে বিষয়।
    শরীয়তপুর জেলা বন বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নড়িয়া উপজেলার পন্ডিসার এলাকায় গাছ কাটার কোন অনুমতি দেইনি।

    বাংলাদেশ সময়: ৯:৫৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৯ মে ২০২২

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ