• শিরোনাম

    নবীনগরে নরসিংহপুরে তিতাস-বুধন্তী নদীর মোহনা খননে এলাকায় ধূম্রজাল

     মোঃ নিজাম উদ্দিন নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | বৃহস্পতিবার, ০১ জুলাই ২০২১ | পড়া হয়েছে 92 বার

    নবীনগরে নরসিংহপুরে তিতাস-বুধন্তী নদীর মোহনা খননে এলাকায় ধূম্রজাল
    apps

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ০৮ নং ওয়ার্ড নরসিংহপুর ঘেঁষে তিতাস-বুধন্তী নদীর মোহনা ৮০০-১০০০ ফুট দৈঘ্য খননের বিষয়ে এলাকায় ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়। তথ্য সূত্রে জানা যায়, ০৮/০৪/২১ ইং তারিখে বি আই ডব্লিউ,টিএ থেকে অনুমোদন নিয়ে খনন কাজ করছেন কুশিয়ারা ড্রেজিং কোম্পানি। এবিষয়ে এলাকায় ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়,ড্রেজিংয়ের নেতৃত্বে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাই নামক একজন মাটি ব্যবসায়ি। পৌর এলাকার ০৩ নং ওয়ার্ডের গোপীনাথপুর গ্রামের লোকজন মনে করেন নদীর মোহনা খনন হলে তারা উপকৃত হবে।কিন্তু নদীর তীরবর্তী নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ০৮ নং নরসিংহপুর গ্রামের লোকজন মনে করেন নদীর মোহনা খননের নামে গভীর করা হচ্ছে তাদের গ্রাম ঘেঁষা তিতাস নদী,এতে তাদের গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে অচিরেই। এসম্পর্কে নরসিংহপুর গ্রামের একাধিক ব্যক্তি বলেন, বাড়ির সামনে ড্রেজিং করলে খুব দ্রুত আমাদের গ্রামটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

    একশ্রেণির অসাধু বালু ব্যবসায়ি প্রভাব খাটিয়ে এখানে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে। সরকারের নিকট আকুল আবেদন জানায় দ্রুত এই ড্রেজিং বন্ধ করে আমাদের গ্রামকে রক্ষা করার জন্য। সকল অভিযোগ অস্বীকার করে গোপীনাথপুরের একাধিক ব্যক্তি বলেন,নদীর মোহনা খনন হলে সহজেই আমরা নৌকা চলাচল করতে পারব,আমাদের পরিত্যক্ত জমিগুলো সরকারি বালু দ্বারা ভরাট করতে পারলে উপকৃত হব। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে বি আই ডব্লিউ টিএ র আঞ্চলিক ভিত্তিক ইন্জিনিয়ার মোঃ বিল্লাল হোসেন কে মুঠোফোনে বার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি,বক্তব্য দিতে নারাজ কুশিয়ারা ড্রেজার চালক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। নদী খননের নামে মাটি বিক্রির ব্যবসায় লিপ্ত একশ্রেণীর পেশাদার ব্যবসায়ি এসম্পর্কে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফিরোজ মিয়া বলেন, আমার নিজ ইউনিয়নের বাড়িঘরের ক্ষতি হলে কঠোর হতে দ্বিধাবোধ করব না,এমনকি স্থানীয় সংসদ সদস্য নিজেও মুঠোফোনে সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে ড্রেজার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন।আমি অনুরোধ করব দ্রুত ড্রেজারটি বন্ধ করে নিয়ে যাওয়ার জন্য, নতুবা আমরা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব। স্থানীয় সংসদ সদস্যের দেয়া নির্দেশনা সম্পর্কে জানতে চেয়ে মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নয়, গ্রামবাসীর কোন ক্ষতি হোক আমি কখনো চায় না। আগামীকাল পূনরায় বিষয়টি ভাল করে জেনে বন্ধের ব্যবস্থা করব।

    বাংলাদেশ সময়: ১২:৫৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০১ জুলাই ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ