• শিরোনাম

    দিনাজপুরে আহলে হাদীস জামে মসজিদ এর প্রস্তাবিত কমিটির এক সদস‍্যকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।

    দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ | মঙ্গলবার, ০৭ জুন ২০২২ | পড়া হয়েছে 57 বার

    দিনাজপুরে আহলে হাদীস জামে মসজিদ এর প্রস্তাবিত কমিটির এক সদস‍্যকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান।
    apps

    ৬জুন সোমবার ওয়াকফে মোহাম্মদী ওয়াকফ এষ্টেটে দিনাজপুর জেলা আহলে হাদিস জামে মসজিদ,মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রস্তাবিত কমিটির এক সদস্যকে মিজানুর রহমান মিজান নামে এক ব্যক্তি কর্তৃক মারধরের প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মুখে মানববন্ধন করেন, আহলে হাদিস জামে মসজিদের প্রস্তিবিত কমিটির সদস্যবৃন্দরা।জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন ও দিনাজপুর কোতয়ালি থানায় দায়েরকৃত জিডি মুলে জানা যায়, আহলে হাদিস জামে মসজিদের কমিটি গঠন নিয়ে চলছে বর্তমান কমিটি ও প্রস্তাবিত কমিটির মধ্যে দন্দ্ব।এরই সুত্র ধরে আহলে হাদিস জামে মসজিদের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য মোঃ শামসুল হকসহ প্রস্তাবিত কমিটির সদস্যরা বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে বর্তমান কমিটির সভাপতি বকুল সহ কমিটির মেয়াদও অনিয়ম তুলে ধরে বর্তমান কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। এর পাশাপাশি প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য মোঃ শামসুল হক তার ফেস বুকসহ বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় বর্তমান কমিটির সভাপতি বকুল, মোঃ মিজানুরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মন্তব্য করে লেখালেখি করলে এর প্রতিবাদে গত ৫জুন রাতে দিনাজপুর ষ্টেশন রোড আহলে হাদিস মসজিদের সামনে মোঃ মিজানুর রহমান প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য শামসুল হককে অন্যায়ভাবে চর মারার প্রতিবাদেই মিজানুরের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন ও বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে আহলে হাদিস জামে মসজিদের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্যরা।তবে এ প্রসঙ্গে আহলে হাদিস জামে মসজিদের বর্তমান কমিটির সভাপতি মো: বকুল মুঠো ফোনে জানান বর্তমানে এখনো আমাদের কমিটি সক্রিয় রয়েছে।যতক্ষন পর্যন্ত ওয়াকফ বোর্ড কমিটি বাতিল ও নতুন কমিটির অনুমোদন না দেয় ততক্ষন পর্যন্ত আমরাই কমিটির দায়িত্ব পালন করবো এটাইতো নিয়ম।তবে তারা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ সহ যোগাযোগ মাধ্যমে যে কুৎসা ছড়াচ্ছে এটা আদৌ সত্য নয়। প্রয়োজনে যে কোন সময় আমরা ওয়াকফ বোর্ডে সমস্ত নথি পত্র প্রদান করতে পারবো।তবে বর্তমান যারা প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য দাবি করে আহলে হাদিস জামে মসজিদ,মাদ্রাসা ও এতিমখানার যে পেড ব্যবহার করছেন সেটা আইন সিদ্ধ নয়।কারন পেড সাধারনত অফিসিয়াল কাজে ব্যবহারের জন্য। সভাপতি, সাধারন সম্পাদকের সই ছারা কিভাবে ব্যবহার করছে এটা বোদগম্য নয়।তবে বিবেকবান সচেতন মহল মনে করেন আল্লাহর ঘর নিয়েও যারা রাজনীতি করে নিজেদের পদ পদবী নিয়ে হিংসা,দ্বন্দে জড়ায় তাদের দ্বারা মসজিদ মাদ্রাসার কতটুকু ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এটা বোদগম্য নয়।

    বাংলাদেশ সময়: ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৭ জুন ২০২২

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ