• শিরোনাম

    জামালপুরে দন্ত চিকিৎসক .মো: আলফাজ উদ্দিন ইহকাল ত‍্যাগ করেছেন

    জামালপুর জেলা প্রতিনিধি | শনিবার, ২১ আগস্ট ২০২১ | পড়া হয়েছে 126 বার

    জামালপুরে দন্ত চিকিৎসক .মো: আলফাজ উদ্দিন ইহকাল ত‍্যাগ করেছেন

    জামালপুরে দন্ত চিকিৎসক .মো: আলফাজ উদ্দিন ইহকাল ত‍্যাগ করেছেন

    apps

    জামালপুর সদর উপজেলা ৪ নং তুলশীরচর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড এর উত্তর পাড়া গ্রামের মৃত আঃ গফুর শেখ এর ছোট ছেলে ও জাতীয় দৈনিক বাংলার নবকন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আল মাসুদ লিটন ( সাংবাদিক) এর বাবা দন্ত চিকিৎসক :মো: আলফাজ উদ্দিন ১৬/৮/২১ ইং রোজ সোমবার দুপুর ১:৩০মি. এ জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯৫২ সালে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন । জন্মের এক মাস পর তিনি তার বাবাকে হারান। বড় তিন ভাই ও দুই বোন আর মা কে নিয়ে খুব কষ্ঠের ছিল বাল্য কাল। অশিক্ষিত ছিল পরিবারের সকল সদস্য, ছিলোনা কোন শিক্ষার আলো। তাই তার পড়াশুনা করাই অনেক কষ্ট হয়। ছাত্র ভালো থাকায় অনেক কষ্ট করে লেখা পড়া করেন তিনি। ১৯৭০ /৭১ সালে দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের কারনে কোন পরিক্ষা না হওয়ায় তিনি ১৯৭২সালে এস এস সি প্রথম স্থান ও ১৯৭৪ সালে এইচ এস সি(ইন্টার মিডিয়েট) প্রথম স্থান পেয়ে পাশ করেন। পরে তিনি ১৯৭৮সালে (B D T ) ও ১৯৮০সালে(D D T ) ডেন্টিস্ট প্রশিক্ষণ গহণকরেন। এবং ১৯৮২-১৯৮৪ সালে সৌদি আরবের বাহরাইন প্রদেশের মানামা হাসপাতাল থেকে দন্ত চিকিৎসার উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ গহণ করেন তিনি । তিনি তার দীর্ঘ জীবন দসায় মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি ১৯৮৪ সালের শেষ দিক থেকে শুরু করে প্রায় জীবনের বেশির ভাগ সময় নান্দিনা বাজারে সুনামের সাথে দন্ত রোগের চিকিৎসা প্রদান করে গেছেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি এক ছেলে ও তিনি কন্যার সন্তানের জনক ছিলেন। একি সাথে তার জীবন ছিল এক অসাধারণ সুন্দর সুশাসনে বহমান। তিনি সন্তানদের সুশিক্ষিত করে গেছেন। তিন কন্যার মধ্যে বড় ও মেজু দুই কন্যাকে বেশি দুর লেখা পড়া করানোর সুযোগ পাননি, তাদের বিয়ে দিয়ে দেন। ছোট কন্যা ও একমাত্র ছেলে কে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করেন তিনি। মেয়ে টি এখন কেসবপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষিকা। ছেলেটি গনমাধ্যম কর্মী জাতীয় দৈনিক বাংলার নবকন্ঠ পত্রিকা এর জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ও হাজরাবাড়ী প্রেসক্লাব সহ-সভাপতি ও জামালপুর মিড়িয়া প্রেসক্লাব এর কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।পাশাপাশি সেও একজন দন্ত চিকিৎসক। তিনি অর্থনৈতিক ভাবে মধ্যবিও পরিবারে সুখী ছিলেন। হঠাৎ ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি স্ট্রোক করে ছিলেন। সেই স্ট্রোক থেকেই তার বাম পাস অবস হয়ে যায়। পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে চলাফেরা করেন। হঠাৎ ছয় বছর পর সে ৮/৮/২১ইং তারিখে স্ট্রোক করেন এবং ৮ দিন পর (১৬/৮/২১ ইং রোজ সোমবার) জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সোমবার রাত ১০ টায় তার নিজ বিড়িতে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজ শেষে ড়ৌয়াতলা উত্তর পাড়া জামে মাসজিদের পেস ইমাম হযরত মাওলানা মো:আ:মান্নান সাহেব, তার ভাতিজা শিল্পপতি মো:আনোয়ার হোসেন ও তার একমাত্র ছেলে সাংবাদিক মো: আল মাসুদ লিটন। বক্তব্যে উপস্থিত সকলের কাছে ক্ষমা ও তার অাত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। জানাজা নামাজে ইমাম ছিলেন তার নাতি হযরত মাওলানা মোঃ আশিক মিয়া।তারপর তাকে পারিবারিক কবরস্থানে চির নিদ্রায় সায়িত হন।

    বাংলাদেশ সময়: ১:০৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২১ আগস্ট ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ