• শিরোনাম

    চতুর জোনাস ঢাকীর কারসাজিতে কালব এখন দুর্নীতির

    স্টাফ রিপোর্টার | সোমবার, ০৭ মার্চ ২০২২ | পড়া হয়েছে 33 বার

    চতুর জোনাস ঢাকীর কারসাজিতে কালব এখন দুর্নীতির

    চতুর জোনাস ঢাকীর কারসাজিতে কালব এখন দুর্নীতির

    apps

    চতুর জোনাস ঢাকীর কারসাজিতে কালব এখন দুর্নীতির অভয়ারণ্য দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিঃ (কালব) এর চেয়ারম্যান জোনাস ঢাকীর কারসাজিতে কালব এখন দুর্নীতির অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। অবৈধ উপায়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার আশায় জোনাস ঢাকীর এসব কর্মকান্ডে সহায়তা করছে কালব এর কিছু নেতৃত্বস্থানীয় কর্মকর্তা । তাদের মধ্যে অন্যতম ট্রেজারার জয়নাল আবেদীন, ব্যবস্থাপক ফ্লাটিক ফালমা, সেক্রেটারি আরিফ মিয়া সহ ফিরোজ নামে এক কর্মকর্তা। তাদের এসব লুটপাটের সহায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পন্ন একজন পরিচালক। জোনাস ঢাকীর বিরুদ্ধে কালব অন্যান্য কর্মকর্তাদের মতামতকে অমূল্যায়ন করাসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। গত কিছুদিন পুর্বে বিনা প্রয়োজনে জমি ক্রয়, ভবন নির্মান, গাড়ি ক্রয়, প্রধান কার্যালয় বিক্রি করে আবার নতুন ভবন নির্মানের জন্যে জমি ক্রয়, রিসোর্ট ও মদের বার করার নামে জোনাস ঢাকী প্রায় ১০০ কোটি টাকা আত্মসাত করেছেন বলে জানাগেছে। তার দুই মেয়ে টরেন্টোতে বসবাস করে। কালব লুটপাটের টাকায় জোনাস ঢাকী কানাডার টরেন্টোতে বাড়ি কিনেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। ধারণা করা হচ্ছে জোনাস ঢাকীর কানাডার নাগরিকত্ব নিশ্চিত হলে শীঘ্রই কালবের তহবিলের অর্থ শূণ্য করে কানাডায় পাড়ি জমাবেন। তার পূর্বের চেয়ারম্যান সাইমন এ পেরোরা ১০০ কোটি টাকা লোপাট করে নাগরিক হওয়ার সুবাদে আমেরিকায় পাড়ি জমিয়েছেন। ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। অর্থের বিনিময়ে কালবে জব্দ সাইমন এ পেরোরার পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে আমেরিকায় পালাতে সহায়তা করেছে জোনাস ঢাকী। সম্প্রতি জোনাস ঢাকী নিজের নামের পূর্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা যুক্ত করছেন। যদিও জোনাস ঢাকীর মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন নিয়ে তার এলাকাবাসীর মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। বর্তমানে জোনাস ঢাকীর দুর্নীতির প্রধান সারথী হয়েছেন ট্রেজারার জয়নাল আবেদীন, ব্যবস্থাপক ফ্লাটিক ফালমা, সেক্রেটারি আরিফ মিয়া সহ ফিরোজ নামে এক কর্মকর্তা। জোনাস ঢাকীর সহায়তায় তারাও কালবে সাধারন মানুষের রক্ষিত অর্থ ও ঋনের টাকা হরিলুট করছেন। এর মধ্যে পরপর দুই মেয়াদে ট্রেজারের দায়িত্ব পালন করে জয়নাল আবেদিন এখন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে উঠেছেন। জামায়াত ইসলামী’র স্থানীয় এই নেতা কালবে রক্ষিত সমবায়ীদের অর্থ লুটপাট করে প্রচুর অর্থ বিত্তের মালিক বনে গেছেন। সরকারী চাকরী করেও তিনি কালবে দুই মেয়াদে ট্রেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। তার প্রাথমিক সমবায় সমিতি মৌচাক কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নেও জয়নাল আবেদিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। আর কালবের এসব দুর্নীতির অভিযোগে সমবায় অধিদপ্তরের ভূমিকা রহস্যজনক। কালবের এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন পর্যায় থেকে কয়েকবার সমবায় অধিদপ্তরের চিঠি দিয়েও কোন ফল পাওয়া যায়নি। গত ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ (কালব) নির্বাচনে জোনাস ঢাকী পুনরায় জয়লাভ করে ০১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণের করেন। পরবর্তীতে কার্যক্রম পরিচালনায় জোনাস ঢাকী বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও ষড়যন্ত্রের কারণে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনায় নানা প্রকার বাঁধার সম্মুখিন হতে হচ্ছে অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যদের। নির্বাচনের পরের দিন ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে উক্ত ৩২,৮০,৩৭৬/- টাকা সফ্টওয়্যারে স্টাফদের বোনাস দেয়ার কথা বলে একটি ভূয়া ভাউচার দেখিয়ে দিয়ে উক্ত ক্যাশ হিসাব মিলিয়ে দেন। এ নিয়ে জোনাস ঢাকীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্যে সদস্য সমিতির প্রতিনিধিদের প্রতি সদস্যরা লিখিত আহবান জানান। চতুর জোনাস ঢাকী অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি উক্ত ৩২,৮০,৩৭৬/- টাকার বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন তৈরিতে বোর্ড সভায় আলোচনা করার জন্য আলোচ্যসূচী থাকলেও সময়ের অজুহাতে দিনপাত করছেন। করোনাকালীন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রতিবেদন ছাপানোর জন্য কালব-এর বর্তমান অন্য কোন কর্মকর্তার বক্তব্য না থাকা সত্বেও চেয়ারম্যানের একক অনুমোদন বিল প্রদান করা হয়। এমতাবস্থায় সমবায়ীদের স্বার্থ রক্ষার্থে কালবের চুড়ান্ত ধ্বংসের পূর্বে দুর্নীতিবাজ জোনাস ঢাকীকে চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারন দাবি জানিয়েছেন কালবের সচেতন ডেলিগেটগণ। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে গ্রেফতারেরও দাবি জানান তারা।

    বাংলাদেশ সময়: ১২:০৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৭ মার্চ ২০২২

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আজ বিজয়া দশমী

    ২৬ অক্টোবর ২০২০

    আর্কাইভ