• শিরোনাম

    গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন সভাপতি – সম্পাদক পদে আলোচনায় আজমত উল্লাহ ও জাহিদ আহসান রাসেল

    আব্দুর রহমান,গাজীপুর সংবাদতা: | বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২ | পড়া হয়েছে 77 বার

    গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন সভাপতি – সম্পাদক পদে আলোচনায় আজমত উল্লাহ ও জাহিদ আহসান রাসেল
    apps

    আগামী ১৯ নভেম্বর গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সম্মেলনকে সফল ও সার্থক করতে মহানগরের থানা এবং ওয়ার্ড গুলোতে হচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মিসভা। সম্মেলনকে সফল করতে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এ নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে সাজ সাজ রব। নগরীর অধিকাংশ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। বাকী থানা কমিটি মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন এর পর হবে।
    সম্মেলন উপলক্ষে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে ঘন ঘন সাক্ষাৎ ও কুশলবিনিময় করে দোয়া নিচ্ছেন। প্রার্থীদের কাছে কর্মীদের কদর বেড়েছে। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে সম্ভাব্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের ছবিসংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও তোরণ শোভা পাচ্ছে। মহানগর আওয়ামী লীগের নতুন নেতৃত্বে কে আসবেন তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে আলোচনা। বিশেষ করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুটি পদ নিয়েই সবার আগ্রহ বেশি।
    সভাপতি পদে সম্ভাব্য যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন,বর্তমান গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান, সাধারণ সম্পাদক পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারাযুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, তাছাড়া আরো অনেকে আছেন যারা গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক পদে পার্থী তারা হলো বীর মুক্তিযুদ্ধা কাজি আলীম উদ্দিন বুদ্দিন,আতাউল্লাহ মণ্ডল, অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদী শামীম, মো. মতিউর রহমান মতি, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, আফজাল হোসেন সরকার রিপন, মজিবুর রহমান,হালিম সরকার,মামুন মন্ডলসহ আরো কয়েকজন।
    সভাপতি প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মহানগর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বর্ষীয়ান রাজনীতিক অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খানের নাম শোনা যাচ্ছে। তিনি টঙ্গী পৌরসভার একাধিকবার নির্বাচিত মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এই দিকপাল প্রবীণ পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদের বিশেষ অবদান রয়েছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিশ^স্ত ও পরীক্ষিত এই নেতা দুর্দিনে গাজীপুরে আওয়ামী লীগকে সুংসগঠিত রেখে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দলের প্রতি তার অবদানের কথা সবাই জানেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গাজীপুরের মাটি ও মানুষের জন্য এই হেভিওয়েট প্রার্থী কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
    গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী হিসেবে প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ভাওয়াল বীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের সুযোগ্য পুত্র চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের নাম শোনা যাচ্ছে। নগরীতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মুখে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার সমর্থনে ব্যাপক সাড়া পড়েছে বলে জানা গেছে।
    তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সচেতন মহলের কয়েকজন জানান, বাবা শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টারের মতো গাজীপুরবাসীর সঙ্গে এবং তৃণমূল আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার এক নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। মানুষের বিশ্বাস আর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তিনি। তার কর্ম ও মেধা-মনন দিয়ে কুড়িয়েছেন লাখো মানুষের ভালোবাসা। মানুষের কল্যাণে, বিপদে-আপদে সবসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তিনি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও যারা অসুস্থ আছেন তাদের খোঁজখবর রাখেন তিনি। দলের দুর্দিনের এ ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়নে কোনো কমতি রাখেন না।
    জননেত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনা ও দৃঢ় নেতৃত্বে জাহিদ আহসান রাসেল গাজীপুরে তথা সারা দেশে যুবদের আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একের পর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। লাখো যুবক আজ আত্মকর্মী হয়ে গড়ে উঠছেন। ধাপে ধাপে ক্রীড়াঙ্গনকে সমৃদ্ধ করে তুলছেন তিনি। তার উন্নয়নের ছোঁয়ায় স্কুল, কলেজ, মাদরাসায় বহুতল শিক্ষা ভবন নির্মাণ হয়েছে। মসজিদ-মন্দিরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তিনি।
    নেতাকর্মীরা বলেন, মার্জিত ও সদাহাস্যোজ্জ্বল এবং মেধা-মননের অধিকারী জাহিদ আহসান রাসেল অল্প বয়সে বাবার মতো জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। মানুষের পাশে থেকে এ দেশকে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন। সত্যিকার অর্থে মানুষ তাকে খুব ভালোবাসে। এই হেভিওয়েট প্রার্থী গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পেলে আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে নগরীর প্রতিটি ইউনিট সুসংগঠিত হবে, দল আরো বেশি শক্তিশালী হবে।
    কয়েকজন নেতা জানান, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে হচ্ছেন তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারছেন না। তবে প্রবীন ও নবীনের সমন্বয়ে আগামী ১৯ নভেম্বর মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে জানা যাবে কে হবেন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তবে যারাই নির্বাচিত হন গাজীপুরের সার্বিক পরিস্থিতি ঠিক রাখতে তাদের ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে হবে। গাজীপুরের সাম্প্রতিক সময়ের রাজনৈতিক তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন গাজীপুরের সহিংসতা, জঙ্গিবাদ দমনে অনেকটাই ব্যর্থ। কিছুক্ষেত্রে অপরাধীরা স্থানীয় রাজনৈতিক মদদও পেয়েছে বলে অভিযোগ আছে। ধর্মের ব্যবহার ও অর্থের বিনিময়ে বহিরাগতদের মাধ্যমে গাজীপুরের অপরাধমূলক কার্যক্রম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং রাজনৈতিকভাবে এদের অপব্যবহার ব্যপকহারে বেড়েছে। এতে গাজীপুরে স্থানীয় সরকার

    ব্যবস্থা ও রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই যারাই মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসবেন তাদের অনেক চ্যালেঞ্জ নিতে হবে।

    বাংলাদেশ সময়: ৮:৩৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ