• শিরোনাম

    এবার সন্তান নিয়ে নিজের রঙিন ঘরে ঘুমাবে সালেহা

    টি এম এ হাসান সিরাজগঞ্জ | বুধবার, ১২ জানুয়ারি ২০২২ | পড়া হয়েছে 17 বার

    এবার সন্তান নিয়ে নিজের রঙিন ঘরে ঘুমাবে সালেহা
    apps
    নিজের একটি থাকার ঘর না থাকায় একমাত্র শিশু সন্তান নিয়ে ভাইয়ের জরাজীর্ণ ঘরে থাকতেন সালেহা। বিষয়টি নজরে আসে দ্য বার্ড সেফটি হাউজের চেয়ারম্যান সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাসের। এর প্রেক্ষিতে তিনি ফেইসবুক বন্ধুদের সহযোগিতায় সালেহাকে গড়ে দিলেন রঙিন ঘর। দিন শেষে সন্তান নিয়ে এখন আর ভাইয়ের জরাজীর্ণ ঘরে ঘুমাতে হবে না অসহায় এই সালেহা কে। মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে সালেহার ঘরটি মেরামত শেষে তার কাছে হস্তান্তর করেন মামুন বিশ্বাস। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামুন বিশ্বাস নিজেই। জেলার বেলকুচি উপজেলার ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের মধ্যমেটুয়ানী গ্রামের সালেহা। সাত বছর আগে তালাক প্রাপ্ত হয়ে মেয়ে ও ছেলেকে নিয়ে অসহায় হয়ে বাবার বাড়ীতে চলে আসেন তিনি। সালেহাকে ঘরের পাশাপাশি শীতের কথা মাথায় রেখে দেওয়া হয়েছে লেপ-তোশক, চৌকি, শীতের পোশাক। এছাড়াও জীবিকার জন্য দেওয়া হয়েছে সেলাইমেশিন, খাদ্যসামগ্রী ও নগদ ৬ হাজার টাকা। এছাড়াও শিশু রাকিবের মাদ্রাসায় লেখাপড়ার জন্য আর.জে রিফাত নামে একজনের মাধ্যমে মাসিক ১ হাজার করে টাকারও ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। নতুন ঘর পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সালেহা বলেন, আমি দুই ছেলে মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্ট করতাম। ভাইয়ের একটা জরাজীর্ণ ঘরে থাকতাম। স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি যে কখনো নতুন রঙিন ঘর পাবো, এত সুন্দর ঘরে থাকতে পারবো। ঘর ও সেলাইমেশিন সহ সব কিছু পেয়ে আমি ভীষণ খুশি হয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকবো আপনাদের সবার জন্য দোয়া করবো। দ্য বার্ড সেফটি হাউজের চেয়ারম্যান ও সমাজকর্মী মামুন বিশ্বাস জানান, অসহায় সালেহার অসহায়ের খবর পেয়ে বিস্তারিত লিখে ফেসবুকে দেই। ফেসবুকের বন্ধুদের থেকে সংগ্রহীত ৭৮ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে খুব দ্রুত ঘর নির্মাণ কাজ শেষ করে আজ তাকে বুঝিয়ে দিয়েছি। আসলে আমরা সবাই যদি যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি তাইলে আমাদের সমাজে অবহেলিত কোন মানুষ থাকবে না। আমাদের সবাইকে সমাজের কল্যাণে এগিয়ে আসা দরকার জানিয়ে তিনি আরও জানান, আমি শুধুমাত্র চেষ্টা করি ফেসবুক বন্ধুরা এগিয়ে আসে বলেই প্রতিটি মানবতা কাজের জয় হয়৷

    বাংলাদেশ সময়: ৩:২৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১২ জানুয়ারি ২০২২

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ