• শিরোনাম

    উন্নয়ন অগ্রগতিতে এগিয়ে চলছে মেডিক্যাল এসিট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল(ম্যাট্স), নোয়াখালী।

    জুয়েল রানা লিটন, নোয়াখালীঃ | বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১ | পড়া হয়েছে 128 বার

    উন্নয়ন অগ্রগতিতে এগিয়ে চলছে মেডিক্যাল এসিট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল(ম্যাট্স), নোয়াখালী।
    apps

    বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় জননেত্রী শেখ হাসনিার যোগ্য নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। সকল ক্ষেত্রে আজ ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় পিছিয়ে নেই স্বাস্থ্যখাতও । স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নও স্বাস্থ্য সেবাসাধারণ জনগনের দ্বারপ্রান্তে পৗেঁছে দিতে কাজ করছেন চিকিৎসক সমাজ ও চিকিৎসক সংগঠনগুলো।
    জননেত্রী শেখ হাসনিার নির্দেশনা মোতাবেক স্বাধীনতার স্বপক্ষের চিকিৎসক সংগঠন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচীপের) নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগীতায় সারা দেশে স্বাস্থ্য বিভাগকে বেগবান করার লক্ষ্যে প্রত্যেক জেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের উন্নয়ন মূলক কাজ চলমান । তেমনি নোয়াখালী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের অভিবাবক স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য নোয়াখালী -৪ আসনের সাংসদ জননন্দতি নেতা একরামুল করিম চৌধুরী এমপি ও জেলার চিকিৎসক সমাজের অহংকার নোয়াখালী স্বাচীপের সংগ্রামী সভাপতি ডাঃ ফজলে এলাহী খান ও বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক ডাঃ মাহবুবুর রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে নোয়াখালী স্বাস্থ্য বিভাগ।
    এ জেলার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মডেকিলে এ্যাসসিটন্টে ট্রনেংি স্কুল (ম্যাট্স) অন্যতম। এছাড়াও রয়েছে আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজ, ৫০০ শয্যাবশিষ্টি আধুনিক নুরুল হক মিয়া জেনারেল হাসপাতাল নির্মানের প্রক্রিয়াগত কাজের অগ্রগতি, ২৫০ শয্যা বশিষ্টিজনোরলেহাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিসসহ উপজেলা, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লক্সেগুলো একসময় ছিল খুবই অবহেলিত ও অভিবাবক শূন্য।
    যখন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসনিার ২য় মেয়াদে ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করনে, তখন নোয়াখালী -৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী নির্বাচিত হনতনিিিনর্বাচিতহওয়ার পরনোয়াখালীর স্বাস্থ্য বিভাগ ফিরে পেলো একজন যোগ্য অভিবাবক। এর পরপরই তার নেতৃত্বে সাড়া দিয়ে নোয়াখালী স্বাচীপের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক, জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের সকল প্রতিষ্ঠানের প্রধানদেরকে নিয়ে জেলার স্বাস্থ্য সেবাকে জনগনের দ্বার প্রান্তে পৌঁছাতে ও স্বাস্থ্য বিভাগের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নিরলস ভাবে কাজ করে চলছেন ।
    স্বাধীনতার স্বপক্ষের ব্যক্তি মডেকিলে এ্যাসসিটন্টে ট্রনেংি স্কুল (ম্যাট্স) এর বর্তমান অধ্যক্ষ ডাঃ বিধান চন্দ্র সেনগুপ্ত ও দক্ষ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম যোগদানের পর প্রতিষ্ঠানটিকে পরিবর্তনও উন্নয়ন অগ্রগততিএেগিয়ে নিতে জেলার স্বাচীপের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকএরসমন্বয়ে কাজ শুরু করেন । ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখযোগ্য কাজের উন্নয়ন অগ্রগতরি কিছু তথ্য:
    প্রধান ফটকউেন্নত মানের এসএসের গেইট নির্মান করা হয়েছে । বৈদ্যুতিক সমস্যার সমাধানে ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়েছে । দীর্ঘ দিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসনে নিচু ও প্লাবিত স্থানে মাটি ও বালি ভরাট করা হয়েছে। বিভিন্ন হলে বৈদ্যুতিক সমস্যা, পানির ট্যাংক এর সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। হোস্টেলের চারপাশে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হয়েছে।জামে মসজিদ এ টাইলস্ স্থাপন, দরজা ও জানালয় উন্নত মানের গ্রীল, থাইগ্লাস, এসি স্থাপন করা হয়েছে। ছাত্র/ছাত্রীদের খাবার ডাইনিং এ নতুন ও উন্নতমানের আসবাবপত্র ও রান্নার হাড়ি-পাতিল স্থাপন করা হয়েছে । ছাত্রী হোস্টেলে নতুন করে বাথরুম স্থাপন, ভবন মেরামত ও দরজা জানালায়গ্রীল স্থায়ী করনসহ অনেক রিপেয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। হোস্টেল থেকে ডাইনিং এ যাওয়ার রাস্তা পাকা করন ও টিনশডে স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পুরোএলাকাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। গেষ্ট হাউজ স্থাপন করা হয়েছে। সাপ ও বিষাক্ত কীটপতঙ্গ মুক্ত প্রতিষ্ঠানটিকে পরচ্ছিন্ন রাখতে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে পরচ্ছিন্ন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। গেইটের দারোয়ানের প্রশিক্ষণ ও প্রতিনিয়ত প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক পর্যবেক্ষণ এর ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। খেলার মাঠে মাটি ভরাট করা হয়েছে। অধ্যক্ষের কক্ষসহ মোট ৮টি কক্ষে ফ্লাইবোর্ডের মাধ্যমে আধুনিকায়ন ডেকোরেশন স্থাপন করা হয়েছে। প্রত্যেক কক্ষে টাইলস্ স্থাপন, দরজা জানালা মেরামত, গ্রীল, থাইগ্লাসস্থাপন ও এসি স্থাপন করা হয়েছে। ২টঅিডিটোরিয়াম/গ্যালারি কক্ষে আধুনিকায়ন ডেকোরেশন, দৃষ্টিনন্দন আলোক সজ্জ্বা, দরজা জানালা মেরামত ও গ্রীল, থাই গ্লাসও এসি স্থাপন করা হয়েছে। অডিটোরিয়াম গুলোতে আধুনিকায়ন সাউন্ড সিস্টেম এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। কাজের মান উন্নত করতে প্রত্যেকটি কক্ষে ইন্টারকম এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়াইফাই স্থাপন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। নিয়মিত দেশ-বিদেশেরখোঁজ খবর জানতে দৈনিক জাতীয় পত্রিকা রাখার ব্যবস্থা, লাইব্রেরীতে ১০০জন ছাত্র/ছাত্রী একসাথে বসে পড়ার ব্যবস্থা ও লাইব্রেরী কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে।ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ হলে জরুরি চকিৎিসা দয়োর জন্য এম্বুলন্সে প্রদান ও ছাত্র-ছাত্রীদরেকে ২৫০ শয্যা বশিষ্টিজনোরলে হাসপাতালথকেে যাতায়তেরে জন্য একটি মনিি বাসরেআবদেন প্রস্তাবনায় রয়ছেে ।র্৪থশ্রেনীর কর্মাচারীদের উন্নতমানের পোশাকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।সকল জাতীয় দিবসে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজনের নিয়ম চালুকরা হয়েছে। বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগীতা ও শিক্ষা সফরের আয়োজনের ব্যবস্থা করা গ্রহন করা হয়েছে। বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের ভার্চুয়াল ক্লাশ গ্রহণ করা হয়েছে এবং তা বর্তমানে ও চলমান রয়েছে । বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে বেড়েছে পাসের হার। শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ও জাতরি পিতার আদর্শ লালনে বিশেষ ব্যক্তিদ্বারা সেমিনারের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিকে সন্ত্রাস, মাদক, জঙ্গীবাদ, ইভটিজিং মুক্ত ক্যাম্পাস রাখতে আরো বহু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিষ্ঠানটির আরো অনেক উন্নয়ন মূলক কাজ চলমান রয়েছে।
    এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ডাঃ বিধান চন্দ্র সেন গুপ্ত জানান, আপনারা দেখেছেন সারা দেশের ন্যায় ইতিমধ্যে নোয়াখালী স্বাস্থ্য খাতের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যে উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে কোন অংশে ম্যাটস্ পিছিয়ে নেই। সার্বিক ভাবে এই প্রতিষ্ঠানটি উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখে চলছে।
    স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি ডাঃ ফজলে এলাহী খান জানান, জননেত্রী শেখ হাসনিার নেতৃত্বে স্বাস্থ্য খাতের ব্যাপক পরিবর্তনের চিত্র আপনারা ইতিমধ্যে দেশব্যাপী প্রত্যক্ষ করছেন। তারই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালীর স্বাস্থ্য খাতেও ব্যাপক উন্নয়ন পরিলক্ষিত হয়েছে। এক সময়ের ধূসর স্বাস্থ্য সেবা এখন মানুষের দ্বার গোড়ায়। বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন সময়েও স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকার ইতিহাস চিরদিন মানুষ মনে রাখবে। যা সম্ভব হয়েছে একমাত্র আমাদের সবার প্রিয়নেত্রী,জননেত্রী শেখ হাসনিার বলিষ্ঠ ও সুযোগ্য নেতৃত্বের কারনে।
    স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সাধারন সম্পাদক ডাঃ মাহবুবুর রহমান জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীদেশরত্ন শেখ হাসনিার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। সেই উন্নয়ন অগ্রতিতে দেশের স্বাস্থ্য খাতও এগিয়ে চলছে সমান তালে। একসময়ের রুগ্ন স্বাস্থা ব্যবস্থা আজ সবল ও সাবলীল হয়ে জনগনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেেগছে। আপনারা দেখেছেন করোনাকালীন সময়েও আমাদের নোয়াখালীর স্বাস্থ্য খাতের ভূমিকা, যা জেলাবাসীর কাছে অবিস্বরনীয় হয়ে থাকবে ।
    (ম্যাটস্) নোয়াখালীর প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম জানান, একসময় উন্নয়ন অগ্রতিতে প্রতিষ্ঠানটি ছিলো খুবই অবহেলিত,ঝিমিয়ে ঝিমিয়ে চলতো সকল র্কমকান্ড। প্রশাসনিক ব্যবস্থাওছলি খুবই দুর্বল, আমি এবং আমার স্যার বর্তমান অধ্যক্ষ ডাঃ বিধান চন্দ্র সেনগুপ্তপ্রতিষ্ঠানটিতে যোগদানের পর পরিবর্তনও উন্নয়ন অগ্রগতিতে এগিয়ে নিতে জেলার (স্বাচীপের) সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক এর সমন্বয়ে কাজ শুরু করে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটিকে বদলে দিতে আমরা সক্ষম হয়েছি,ভবিষ্যতেওপ্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নরেযাত্রাঅব্যহত থাকবে ।

     

     

    বাংলাদেশ সময়: ৮:২৭ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি ২০২১

    dainikbanglarnabokantha.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ